| প্রচ্ছদ

মেসি আশঙ্কায় ছিলেন নেইমার রিয়ালে যাবে

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪০ বার। প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০১৯ ।

নেইমার ছিলেন বার্সেলোনায়। রেকর্ড অর্থের বিনিময়ে তাকে কিনে নিয়েছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। কিন্তু সেখানে ঠিকমতো বনিবনা না হওয়ায় আবার ন্যু ক্যাম্পেই ফিরতে চেয়েছিলেন নেইমার। কিন্তু চুক্তির  শর্ত না মেলায় শেষ পর্যন্ত ট্রান্সফার সফল হয়নি। নেইমারের বার্সায় ফেরার মিশন ব্যর্থ হওয়ার পর লিওনেল মেসি ভেবেছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রিয়াল মাদ্রিদে চলে যেতে পারেন। সম্প্রতি রেডিও স্টেশন আরএসি ওয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টাইন তারকা মেসি বলেছেন, ‘আমি সত্যি ভেবেছিলাম এই বাজারে নেইমার যদি বার্সেলোনায় না আসে তাহলে সে রিয়াল মাদ্রিদে যাবে। আমি আসলে ভয়ে ছিলাম ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ এবং তার রিয়াল মাদ্রিদ দলে নেইমারকে নেওয়ার জন্য কিছু একটা করবে।’

রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি স্বীকার করেছেন যে তিনি ২০১৩ সালে ট্যাক্স ফাঁকির কেসের সময় বার্সেলোনা ছাড়তে চেয়েছিলেন। মেসি বলেন, ‘সেই সময় আমি বার্সেলোনা ছাড়ার কথা ভেবেছিলাম। তবে সেটা বার্সেলোনার সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার কারণে নয়, আমি স্পেন ছাড়তে চাইছিলাম কারণ কর ফাঁকির বিষয়টাতে আমাকে বাজেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছিল।’ সেই সময়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে আর্জেন্টাইন তারকা আরও বলেন, ‘ক্লাবগুলোর জন্য আমি দরজা খোলা রেখেছিলাম। কিন্তু কোনো ক্লাব থেকে আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। কারণ সবাই জানত আমি সত্যিকার অর্থেই বার্সেলোনাতে থাকতে চাই।’ মেসি মনে করেন ২০১৩ সালের কর ফাঁকি কেসে তাকে বাজেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে কর ফাঁকি মামলায় তিনি দোষী প্রমাণিত হন। ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ভাবমূর্তি স্বত্বের থেকে যে অর্থ আয় করেছিলেন মেসি তার কোনো কর তিনি পরিশোধ করেননি। যে কারনে স্প্যানিশ সরকার মেসির বিরুদ্ধে ৪.২ মিলিয়ন ইউরো কর ফাঁকির অভিযোগ তোলে। দোষীও সাব্যস্ত হয়েছিলেন মেসি। ২১ মাসের জেল এবং ২ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল তার। পরে জেলের বিনিময়ে আড়াই লাখ ইউরো দিয়ে মুক্ত হয়েছিলেন মেসি।

মন্তব্য