| প্রচ্ছদ

সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ থেকে মাটিডালি বিমান মোড় পর্যন্ত

বগুড়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সওজের অভিযান

দোস্ত আউয়াল
পঠিত হয়েছে ২৫৪ বার। প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ।

বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে সড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টায় সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের সামনে থেকে মাটিডালি বিমান মোড় পর্যন্ত ওই অভিযান চালানো হয়। এসময় সওজের যুগ্ম সচিব মাহবুবুর রহমান ফারুকীর নেতৃত্বে সড়কের দুপাশে ফুটপাতে গড়া উঠা দোকানপাটসহ বসতবাড়ি এক্সকেভেটর দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয়।   

বগুড়া সওজ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুজ্জামান জানান, দীর্ঘদিন থেকে এক শ্রেণির প্রভাবশালী মহল সড়ক ও জনপথের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছিল। সোমবার সকালে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৩’শ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর আগে রোববার সারিয়াকান্দি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১’শ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

তিনি আরো জানান, ফুটপাতের পাশে সওজ'র জায়গায় গড়ে উঠা স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিতে এর আগে গণ নোটিশ, বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া সহ ওই এলাকায় মাইকিংও করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে সুবিল উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে স্কুলের পাশে রাস্তার সাথে ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন বরাবর অভিযোগ পত্র দেওয়া হয়েছিলো। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও আইসিটি বিভাগের এক ম্যাজিস্ট্রেট স্কুল কর্তৃপক্ষকে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ওই স্থাপনাগুলোর তালিকা দিতে বলে। পরে কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্কুলের পাশের অবৈধ স্থাপনাগুলোর তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন সওজকে ব্যাবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেন।   

সুবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আল রাজী জুয়েল 'পুণ্ড্রকথাকে ' বলেন, 'স্কুলের পাশে অবৈধভাবে স্থাপনাগুলো গড়ে উঠার কারণে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় নানারকম সমস্যা হতো। আজকের এই উচ্ছেদ অভিযানের ফলে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে ফুটপাত দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।' 

সোমবার ওই উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল, পৌরসভার বাজার ইন্সপেক্টর আব্দুল হাই, জেলা পুলিশ, নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) ও ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন ইউনিট। 

মন্তব্য