| প্রচ্ছদ

দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়: গবেষণা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৩ বার। প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ।

যারা সাধারণত বেশি রাত জাগেন, তারা সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি করেন। তবে জানেন কী? রাতজাগা মানুষের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। এমনই তথ্য জানিয়েছে একটি গবেষণা।

যারা রাতে দেরি করে ঘুমাতে যান এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন, তাদের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। খবর বিবিসি বাংলা ও সমকাল অনলাইন 

যুক্তরাজ্যের চার লাখ ৩৩ হাজার মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা ব্যক্তিদের চেয়ে রাতজাগা মানুষের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা ১০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা যায়, দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার কারণে বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক জটিলতার শিকার হতে হয়।

এ গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা চার ধরনের মানুষকে বেছে নিয়েছেন। যারা প্রতিদিন নিয়মিত সকালে ওঠেন, যারা মাঝে মাঝে সকালে ওঠেন, যারা মাঝে মাঝে দেরি করে ঘুমান এবং যারা প্রতি রাতে নিয়মিত রাত জাগেন। এই চার ক্যাটাগরিতে থাকা অংশগ্রহণকারীদের বয়স ৩৮-৭৩ বছরের মধ্যে।

পরে এ গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক ক্রোনবায়োলজি জার্নালে প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, যে ব্যক্তি নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তার গড় আয়ু রাতজাগা ব্যক্তিদের থেকে সাড়ে ছয় বছর বেশি।

তবে এর সঙ্গে ব্যক্তির বয়স, লিঙ্গ, গোত্র, ওজন, আর্থসামাজিক অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, লাইফস্টাইল ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় জড়িত। এসব বিষয়ের সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসাব শেষেই দেখা যায়, সকালবেলায় যারা ঘুম থেকে ওঠেন, তাদের অকাল মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম। আর যাদের দেহঘড়ি অনিয়মে চলে তাদের এই ঝুঁকি বাড়তেই থাকে।

এ বিষয়ে সুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রোনোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ম্যালকম ভনের মতে, রাতজাগার সমস্যা জনস্বাস্থ্য সমস্যায় রূপ নিয়েছে। তাই সূর্যোদয় সূর্যাস্তের সঙ্গে দেহঘড়ির সামঞ্জস্য ঘটাতে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে, এ বিষয়ে আরও গভীর গবেষণার প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ক্রিস্টেন নুটসন জানান, অবেলায় খাওয়া-দাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, ব্যায়াম না করা, রাতে ঘুম থেকে ওঠা বা মাদক সেবন- এ ধরনের বদভ্যাসের পেছনের প্রধান কারণ দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ।

মন্তব্য