| প্রচ্ছদ

ড. ইউনূসের গ্রেফতারি পরোয়ানা স্থগিতাদেশ নিয়ে ধূম্রজাল

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩১ বার। প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ।

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা স্থগিত নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুকন উদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছিলেন, তার (ড. ইউনূস) বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া তিনটি মামলার কার্যক্রম (অল প্রসেডিং) আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আদালত। ওইদিনই রুকন উদ্দিন মাহমুদের বরাত দিয়ে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

এ দিকে মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চের ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ফজলুর রহমান খান (এফ আর খান) জানান, এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি আদালত।

তিনি বলেন, আইনজীবী রুকন উদ্দিন মাহমুদ গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীনের মামলা স্থগিতের একটি আবেদন করেন। আদালত কোনো আদেশ না দিয়ে ২০ অক্টোবরের পরে শুনানির জন্য রাখেন। কারণ রুকন উদ্দিন মাহমুদ এই সময় দেশের বাইরে থাকবেন। উনি দেশে আসলেই এটি শুনানির জন্য তালিকায় আসবে।

তিনি বলেন, ওই দিন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে কোনো আবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। এ বিষয়ে মঙ্গলবার রুকন উদ্দিন মাহমুদের বক্তব্য জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টে তার চেম্বারে যায় গণমাধ্যমকর্মীরা। কিন্তু তিনি দেশের বাইরে থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত ৯ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান তিন মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। সেদিন ওই তিন মামলায় ড. ইউনূসের সমনের জবাব দেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

গত ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সদ্য চাকরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মচারী। আদালত ৮ অক্টোবর তাদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। অপর দুজন হলেন- একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন।

মন্তব্য