| প্রচ্ছদ

বগুড়ার সেই গুদাম কর্মকর্তা নবিরের বিরুদ্ধে এবার ৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ১১৬ বার। প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ।


বগুড়ার সান্তাহারে সরকারি বাফার গুদাম থেকে দেড়শ কোটি টাকার সার আত্মসাতের মামলায় অভিযুক্ত ওই গুদামের সাবেক উপপ্রধান প্রকৌশলী নবির উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে এবার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। 
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বগুড়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে বুধবার দুপুরে তার দপ্তরে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের বগুড়া কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনিরুজ্জামানের পক্ষে সহকারি পরিচালক রবীন্দ্রনাথ চাকী মামলাটি রেকর্ড করেন। 
মামলায় দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত নাবির উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে প্রায় ৫ কোটি টাকার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদক কর্মকর্তারা জানান, ১৫৩ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় সাড়ে ৫২ হাজার মেট্রিক টন সরকারি সার আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর নবির উদ্দিন খানসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় প্রায় ৮ মাস কারাভোগের পর সম্প্রতি তিনি জামিনে ছাড়া পান। এরপর থেকেই পলাতক। অভিযুক্ত নবির উদ্দিন খান নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে। 
মামলার বাদী আমিনুল ইসলাম জানান, সার আত্মসাতের মামলাটি তদন্তকালে জানা যায় যে, নবির উদ্দিন খান এবং তার স্ত্রী মোহছীনা বেগম অস্বাভাবিক পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এরপর তাদের দু’জনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য চলতি বছরের ২৫ জুন আলাদাভাবে চিঠি দেওয়া হয়। ওই চিঠি পাওয়ার পর মোহছীনা বেগম তার সম্পদ বিবরণী দুদক কার্যালয়ে দাখিল করলেও তার স্বামী নবির উদ্দিন খান তা অগ্রাহ্য করেন। তখন দুদক কর্মকর্তারা তার সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেন। তদন্তকালে দুদক কর্মকর্তারা তার নামে ৪ কোটি ৯৬ লাখ ১ হাজার ৮৩৯ টাকার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পান। এরপরই তার বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত হয়।
বাদী আমিনুল ইসলাম জানান, আসামী নবির উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে ওই পরিমাণ সম্পদ অর্জন এবং তার তথ্য গোপনের অভিযোগে  দুদক আইনের দু’টি ধারায় মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তার স্ত্রী যে সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন সেটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অসঙ্গতি পেলে তার বিরুদ্ধেও মামলা হবে।’

মন্তব্য