| প্রচ্ছদ

ক্যান্সারে আক্রান্ত জিলা স্কুলের ফাহিম সকলের সহযোগিতা প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ৪৪৪৭ বার। প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ।

বগুড়া জিলা স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র ফাহিম মোরশেদ। টবগবে দুরন্তপনা মেধাবী কিশোর। কেউ জানতে না এই ছেলেটি দুরারোগ্য ব্যাধী ক্যান্সারের জীবাণু বয়ে বেড়াচ্ছে। দিনে দিনে কুড়ে খাচ্ছে তার দেহ। গত এক বছর আগে ধরা পড়ে তার এই ব্যাধি। মাঝে মাঝে জ্বর ও অসুস্থ হয়ে পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ধরা পড়ে তার এই রোগ। চিকিৎসকরা জানান তার বনমেরু ক্যান্সার হয়েছে। 

তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও পওে ভারতের ভেলোতেও চিকিৎসা করানো হয়। দীর্ঘদিন সেখানে চিকিৎসার পর সে সুস্থ হয়ে ওঠে। তার চিকিৎসা বাবদ ব্যয় হয় ৩৫ লাখ টাকা। গত ছয় মাস আগে আবারও সে একই রোগে আক্রান্ত হয়। আবার ফিরে আসে তার বনমেরু ক্যান্সার। এখন সে সিএমএইচ এ চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেখানকার চিকিৎসকরা বলছে ফাহিমকে বাঁচাতে হলে তার বনমেরু ট্রান্সফার করতে হবে। এর জন্য ব্যয় হবে প্রায় ২০ লাখ টাকা।

ফাহিম মোরশেদ বগুড়া জিলা স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা। স্কুলের সহপাঠিরা তাকে গত বছর তাকে নিজেদের মধ্যে থেকে এক লাখ টাকা সংগ্রহ করে দিয়েছিল। তার সহপাঠিরা সমাজের বিত্তবানদের নিকট ও সরকার প্রধানের নিকট চিকিৎসা সহায়তার আহবান জানিয়েছে।

ফাহিমের বাবা হাবিবুর রহমান একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। মা কামরুন নাহার বেগম একজন গৃহিনী। বাড়ী শহরের বুজরুক বাড়ীয়া কৈগাড়ী এলাকায়।

ফাহিমের বাবা জানান, তার ৪ সন্তানের মধ্যে ফাহিম সবার ছোট। ফাহিমের চিকিৎসার জন্য যা সহায় সম্বল ছিল সব কিছুই শেষ করেছেন। সংসার চলছে বড় ছেলের চাকরির উপর নির্ভর করে। ফাহিমকে বাঁচাতে যে অর্থের প্রয়োজন তা যোগার করা সম্ভব হয়ে উঠছেনা। তিনিও প্রধানমন্ত্রীসহ সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা চেয়েছেন।

ফাহিমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার নম্বর ০১৭২৫ ৮২৪২৭৫ (ফাহিমের বড় ভাই)।

মন্তব্য