| প্রচ্ছদ

রোগী সেজে ক্লিনিকে ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর...

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫৮ বার। প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ।

গোপালগঞ্জে মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমান ওরফে ডা. মিজানুর রহমান নামে এক ভূয়া ডাক্তারকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ সময় ওই ভুয়া ডাক্তারকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু রোগী সেজে মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান এবং সেখান থেকে তাকে আটক করেন। সেখান থেকে ডাক্তারের ভুয়া ডিগ্রি লাগানো ব্যবস্থাপত্র উদ্ধার করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, ডা. মিজানুর রহমান নামে একজন ভুয়া ডাক্তার বেশ কিছুদিন ধরে শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে রোগী দেখেন- এ ধরনের একটি তথ্য আমার কানে আসে। এরপর থেকে বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখতে শুরু করি। ওই ডাক্তারের সন্ধানের জন্য আমি নিজেই রোগী সেজে ৩ দিন ধরে শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে বসে থাকি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের স্টার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তার সিরিয়াল পাওয়া যায়। কিন্তু সেখানে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর জানানো হয় তিনি মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখবেন। অতঃপর মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে তাকে আটক করি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এহসানুল কবির ও ডা. বুদ্ধ দেব আমাকে এ অভিযানে সহযোগিতা করেন।

তিনি আরও বলেন, কোনো অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তার কোনো ডিগ্রি না থাকলেও তিনি এমবিবিএস ও এমএস ডিগ্রি লাগিয়ে এবং বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।

মিজানুর রহমান নিজেকে নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিতেন।

তিনি নড়াইল জেলার লোহাগাড়া উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের আবদুল মোতালেবের ছেলে। তবে তিনি তার বাড়ি কখনও কুষ্টিয়া আবার কখন চট্টগ্রাম বলে পরিচয় দিতেন।

মন্তব্য