| প্রচ্ছদ

সিরিয়া যুদ্ধে রাশিয়া-ইরানের প্রভাবে জার্মানির উদ্বেগ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪২ বার। প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ।

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ওই অঞ্চলটিতে রাশিয়া ও ইরানের প্রভাব বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামার্নির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। এ খবর জানিয়েছে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম আনাদলু।

বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের একটি শীর্ষ সম্মেলনে ব্রাসেলসে যাওয়ার আগে বুন্দেস্টেগের আইনজীবীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন তিনি। উত্তর সিরিয়ায় তুরস্কের চলামান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে সমালোচনা করেন মার্কেল। এ সময় তিনি সিরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার ও মার্কিন-তুর্কি সম্পর্ক নিয়ে চলমান উত্তেজনা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ভৌগোলিক রাজনীতি নিয়ে কথা বলছি, আমাদের বুঝতে হবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর রাশিয়া ইরানের সঙ্গে এই অঞ্চলে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব বৃদ্ধি করছে। এ নতুন পরিস্থিতির পরিণতি এখনও অদৃশ্য।

জার্মান চ্যান্সেলর উত্তর সিরিয়ার সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান নিয়ে পুনরায় তুরস্কের সমালোচনা করে বলেন, বিরোধ এই অঞ্চলটিতে মানবিক সংকট ও আরও অস্থিরতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

কুর্দিরা যখন সিরিয়াতে রাজনৈতিক বিরোধী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যা করার দাবি করেছে তুরস্ক তখন তিনি নিশ্চুপ ছিলেন।

সীমান্ত নিরাপদ, সিরিয়ার অখণ্ডতা ও সিরিয়ান শরণার্থীদের নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে চলতি মাসের ৯ অক্টোবর থেকে উত্তর সিরিয়ায় অপারেশন পিস স্প্রিং শুরু করেছে তুর্কি সরকার। উত্তর সিরিয়ার পূর্ব ফোরাত নদী পিকেকে/পিওয়াইডি ও ওয়াইপিজে মুক্ত করতে চায় আঙ্কারা।

অনেক বছর ধরে পিকেকে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। পিকেকে সংগঠনকে সন্ত্রাসী হিসেবে তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন তালিকাভুক্ত করেছে। ওই সংগঠনটির হাতে এ পর্যন্ত নারী, কিশোর ও শিশুসহ ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

মন্তব্য