| প্রচ্ছদ

‘অনৈতিক কাজ দেখে ফেলায় মেয়ের গলায় ছুরি চালান মা নিজে’

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫০ বার। প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০১৯ ।

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানার নিমতলা এলাকার নিজ বাসায় বাবা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ‘অনৈতিক কাজ’ দেখে ফেলায় মা তার পাশের বাসার ‘প্রেমিক’ মাইন উদ্দিনকে (৪৫) নিয়ে প্রথমে চার বছরের শিশুকন্যা ফাতেমা নুর এবং পরে স্বামী আবু তাহেরকে (৩৫) নৃশংসভাবে খুন করে বলে পুলিশ জানায়।

রোববার সকালে নগরের দামপাড়ায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম।

এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বন্দর থানার নিমতলা মোড় এলাকার একটি ভবন থেকে বাবা-মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সিএমপি জানায়, নিহত আবু তাহেরের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার বসুরহাট উপজেলার চরকাঁকড়া গ্রামে। আবু তাহের পেশায় গুদাম শ্রমিক। লাশ উদ্ধারের পর এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী হাছিনা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

আমেনা বেগম বলেন, ‘হাছিনা বেগমের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন (শনিবার) রাত সাড়ে ৩টার দিকে মাইন উদ্দিনকে নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। যার সঙ্গে হাছিনার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। শনিবার সকালে গুদাম শ্রমিক আবু তাহের কাজে বের হলে তার স্ত্রী হাছিনার নিজ বাসায় অবৈধ সম্পর্কে জড়ায় মাইন উদ্দিন। হঠাৎ এ অনৈতিক কাজ শিশু কন্যা ফাতেমা নুর দেখে ফেললে মাইন উদ্দিন ওই শিশুর হাত-পা চেপে ধরে এবং নিজ মেয়েকে গলায় ছুরি বসিয়ে খুন করে হাছিনা। পরবর্তীতে হাছিনার স্বামী আবু তাহের বাড়িতে এলে তাকেও জাপটে ধরে মাইন উদ্দিন ও হাছিনা বেগম। এ সময় আবু তাহেরের পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাত করা হয় এবং গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকেও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।’

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত আবু তাহেরের বড় ভাই নুর আলম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী।

মন্তব্য