| প্রচ্ছদ

মোল্লা আবু কাওছারের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৮ বার। প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ।

ক্যাসিনোকাণ্ডে যুবলীগের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ওমর ফারুক চৌধুরীর অব্যাহতির পর এবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা আবু কাওছারকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

ক্যাসিনো কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ যে কয়জনের নামে রয়েছে, তার একজন ঢাকা ওয়ান্ডারার্সের সভাপতি মোল্লা কাওছার। ইতিমধ্যে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে।

ঢাকা ওয়ান্ডারার্সের ক্লাবে চলতো অবৈধ ক্যাসিনো ও মদ, জুয়ার আসর।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর মতিঝিলের আরামবাগে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ক্যাসিনোতে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে প্রচুর মাদকদ্রব্য, ২০ হাজার ৫০০ টাকার জাল নোট, ১০ লাখ ২৭ হাজার টাকা ও ক্যাসিনোর সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

অভিযানে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের মালিকানা হিসেবে মোল্লা মো. আবু কাওছারের নাম ওঠে আসে। অভিযোগ ওঠেছে, ক্লাবটির মালিকানার পাশাপাশি সভাপতিও তিনি। তার ঘনিষ্টরাও ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত। তবে সভাপতি হলেও মালিকানার অভিযোগটি অস্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

২০১৫ সালে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর আরামবাগের ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো চালু করেন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক ওরফে সাঈদ। তার আগে থেকেই এ ক্লাবের সভাপতির দায়িত্বে আছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার।

গ্রেফতার হওয়া যুবলীগ নেতা ও ঠিকাদার জি কে শামীমের সঙ্গেও মোল্লা কাওসারের ঘনিষ্ঠতার খবর জানা গেছে একাধিক সূত্রে।

একচেটিয়া গণপূর্ত বিভাগের কাজের দরপত্র নিয়ন্ত্রণে জি কে শামীমকে সহযোগিতা করার অভিযোগ আছে মোল্লা কাওসারের বিরুদ্ধে।

অস্ত্র ও মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় রিমান্ড শুনানির জন্য ২ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় আদালতে নেয়া হলে মোল্লা কাওসারের খোঁজ করেন জি কে শামীম। তার আইনজীবীদের কাছে তিনি জিজ্ঞেস করেন, ‘মোল্লা কাওসার কোথায়? সে আসেন নাই?’ ওই সময় একজন উত্তর দেন, ‘উনি তো নিজেই দৌড়ের ওপরে আছেন। উনি কী করে আসবেন!’

মন্তব্য