| প্রচ্ছদ

কর্মীদের ধাওয়া খেয়েই দিন যাচ্ছে ইবি ছাত্রলীগ সম্পাদকের

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪২ বার। প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০১৯ ।

টানা চতুর্থবারের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। ক্যাম্পাসে আসলে তাকে দেখা মাত্রই নেতা-কর্মীরা দলবেঁধে ধাওয়া দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার রাকিব ক্যাম্পাসে আসলে তিনি আবারও ধাওয়ার শিকার হন। এর আগে তাকে তিনবার ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য করে নেতা-কর্মীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৫, ২০ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর তিন দফায় সম্পাদককে ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়া হয়। এবার চতুর্থবারের মতো ধাওয়া খেয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের হতে হয়েছে সম্পাদককে।

এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর কমিটিতে অনৈতিক অর্থ লেনদেনের অভিযোগে কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে পদবঞ্চিতরা। কমিটি অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পর প্রথম ১২ অক্টোবর পূজার ছুটি শেষে ক্যাম্পাসে আসেন ছাত্রলীগ সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ। দলীয় টেন্টে আসলে তাকেও লাঞ্ছিত করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয় নেতা-কর্মীরা।

জানা গেছে, সম্পাদক রাকিব মাস্টার্সের মৌখিক পরীক্ষা দিতে শনিবার সকালে ক্যাম্পাসে আসেন। পরীক্ষা শেষে প্রশাসন ভবনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক কর্তাব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। খবর পেয়ে বিকাল ৪টার দিকে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা দলীয় টেন্টে একত্রিত হয়। সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রধান ফটক হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

এ সময় তারা রাকিবের বিরুদ্ধে ‘রাকিবের চামড়া তুলে নেব আমরা, চোর রাকিবের এ ক্যাম্পাসে স্থান নেই, টাকার বিনিময়ে কমিটি মানি না মানব না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

রাকিব প্রশাসন ভবনে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে প্রশাসন ভবনে ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা প্রশাসন ভবনের সামনে রাকিবের বের হওয়ার অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে রাকিব প্রশাসন ভবন থেকে বের হলে ধাওয়া দিয়ে প্রধান ফটকের দিকে যায় নেতা-কর্মীরা। এ সময় রাকিব মোটরসাইকেলযোগে দ্রুত ক্যাম্পাস ত্যাগ করে।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, আমি পরীক্ষা দিতে ক্যাম্পাসে যাই। পরে ট্রেজারার স্যারের রুমে কথা বলার সময় ছাত্রলীগের কিছু কর্মী মিছিল করে। তারা মিছিলে রাকিব-পলাশ যেখানে, জবাই হবে সেখানে স্লোগান দেয়। একজন ছাত্রলীগের নেতার বিরুদ্ধে কর্মীদের এমন স্লোগানে আমি খুবই মর্মাহত ও ব্যথিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ বলেন, ছাত্রলীগের কিছু কর্মী সাধারণ সম্পাদক রাকিবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। তবে রাকিবকে আমরা নিরাপত্তা দিয়ে বাসায় যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

মন্তব্য