| প্রচ্ছদ

তেলক্ষেত্র ‘পাহারায়’ ফের সিরিয়ায় মার্কিন সেনা মোতায়েন

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪১ বার। প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০১৯ ।

উত্তর সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক অভিযানের মুখে কুর্দিদের ‘ত্যাগ করে’ সেনা সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে সেখানকার তেলক্ষেত্র ‘পাহারায়’ ফের সেনা মোতায়েন করেছে দেশটি। খবর দেশ রুপান্তর অনলাইন

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে মিডলইস্ট আই জানায়, কুর্দি ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) এর সঙ্গে সমন্বয় করে তেলসমৃদ্ধ দেইর ইজ্জর প্রদেশে অতিরিক্ত সামরিক সম্পদ মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র।

এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, আইএসের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলটির তেলক্ষেত্রগুলোতে আইএস এবং অন্যান্য পক্ষগুলোর উপস্থিতি ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ইরাক থেকে মার্কিন সেনাদের ১৩টি সাঁজোয়া যানের বহর সিরিয়ায় প্রবেশ করার পর এমন মন্তব্য করেন মার্কিন এই প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা।

তবে সিরীয় তেলক্ষেত্রে নতুন করে মার্কিন সেনা মোতায়েনের ঘটনাকে ‘আন্তর্জাতিক দস্যুতা’ বলে আখ্যায়িত করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

আগে থেকেই দেইর ইজ্জর প্রদেশে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। তবে তুরস্কের সামরিক অভিযানের পথ করে দিতে গত মাসে উত্তর সিরিয়া থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এই যুদ্ধে নিজদের সম্পৃক্ত হওয়া নিয়ে আগেকার নীতি পরিবর্তন করে গত সপ্তাহে তিনি বলেন, তেলক্ষেত্রের ‘নিরাপত্তা দিতে’ সেখানে ‘স্বল্পসংখ্যক সেনা’ মোতায়েন থাকবে।

তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে রবিবার এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘পূর্ব সিরিয়ার তেলক্ষেত্রগুলো দখল ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ওয়াশিংটন এখন যা করছে, সেটা কেবলই আন্তর্জাতিক দস্যুতা।’

এতে বলা হয়, পূর্ব সিরিয়ায় মার্কিন সেনা এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলো তেল পাচারকারীদের সুরক্ষা দিচ্ছে, যারা মাসে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আয় করছে।

মন্তব্য