| প্রচ্ছদ

নিষিদ্ধ সময়ে বাংলাদেশের জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ আরও বেড়েছে

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩২ বার। প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০১৯ ।

নিষিদ্ধ সময়ে দেশীয় জেলেরা ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকলেও ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় আরও বেশি অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছেন। প্রতি বছর ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর দেশের সমুদ্রসহ সব এলাকায় ইলিশ ধরা, পরিবহন, সংরক্ষণ, বিক্রি নিষিদ্ধ। গত কয়েক দিনে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫টি ট্রলারসহ ৬৩ ভারতীয় জেলেকে আটক করে নৌবাহিনী। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ভারতীয় জেলেদের ট্রলারসহ আটকের পর নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে মোংলা থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার সময় ভারতীয় বিপুল পরিমান ফিসিং ট্রলার ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান করে মাছ শিকার করছিল। এর মধ্যে নৌবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কিছু ট্রলার পালিয়ে ভারতীয় জলসীমায় চলে যায় ও কিছু ট্রলারকে তাড়া করে ভারতের জলসীমায় চলে যেতে বাধ্য করে। এ থেকে মৎস্যজীবীরা ধারণা করছেন, বর্তমানে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় ট্রলার এ দেশে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছে। খবর সমকাল অনলাইন

সুন্দরবন অঞ্চলে মৎস্যজীবীদের বৃহৎ সংগঠন দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপের সভাপতি কামাল উদ্দিন আহম্মেদ অভিযোগ করে বলেন, প্রায় সারা বছরই ভারতীয় জেলেরা সাগরে টহলরত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ও সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছে। তবে বর্তমানে এসব ভারতীয় জেলেদের উৎপাত কয়েকগুন বেড়েছে। এসব ভিনদেশি জেলেরা অনেক সময় দেশীয় জেলেদের মারধর করে মাছ লুট করেও নিয়ে নেয়।

মোংলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, সর্বশেষ গত ২২ অক্টোবর ভোরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে একটি ট্রলারসহ ১৪ ভারতীয় জেলেকে আটক করে নৌবাহিনী। এর আগে ফিসিং বোটসহ ৪৯ ভারতীয় জেলেকে আটক করা হয়। অবৈভভাবে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অপরাধে আটক জেলেদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। সমুদ্রসীমা লংঘনের অভিযোগে এ পর্যন্ত আটক জেলেদের সবাই ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মন্তব্য