| প্রচ্ছদ

বিএনপির এমপি হারুনের জামিন

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৬ বার। প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০১৯ ।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা গাড়ি বিক্রি করে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদকে ছয় মাসের অর্ন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতের দেওয়া ৫০ লাখ টাকার অর্থদণ্ডও স্থগিত করা হয়েছে। বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। তবেস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদ বর্তমানে কারাগারে আছেন। আদালতে হারুনুর রশীদের করা আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন- জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মিজানুর রহমান এবং হারুনুর রশীদের স্ত্রী আইনজীবী সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া। খবর সমকাল অনলাইন 

দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ খুরশীদ আলম খান। আদেশের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জামিন আদেশের বিষয়টি কমিশনকে জানানো হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবারই আদেশর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করা হবে। এক্ষেত্রে যদি আদেশের অনুলিপি না পাওয়া যায় তাহলে জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করা হবে।

গত ২১ অক্টোবর হারুনুর রশিদকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠান ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম। পাশাপাশি তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে সোমবার তিনি হাইকোর্ট আপিল করেন। একই সঙ্গে জামিন চেয়েও আবেদন দায়ের করা হয়। এরপর ওই আবেদনের শুনানি শেষে হারুনুর রশিদের জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রির ঘটনায় হারুনুর রশিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করেন পুলিশের উপ-পরিদর্শক ইউনুস আলী। মামলাটি তদন্ত করে হারুনুর রশিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৮ জুলাই আদালতে চার্জশিট দেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোনায়েম হোসেন। পরে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে হারুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২০ আগস্ট বিচার শুরু করেন আদালত। যার ধারাবাহিকতায় গত ২১ অক্টোবর হারুনুর রশিদকে পাঁচ বছরের দণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এ মামলায় ব্যবসায়ী এনায়েতুর রহমান ও গাড়ি ব্যবসায়ী ইশতিয়াক সাদেককেও সাজা দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য