| প্রচ্ছদ

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ১২১ শিশুকে মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৮ বার। প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০১৯ ।

র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১২১ শিশুকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার পর উচ্চ আদালত থেকে এলো মুক্তির নির্দেশ।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মাহমুদ হোসেন তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন। প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল হালিম ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। খবর দেশ রুপান্তর অনলাইন।

জানা গেছে, ১২ বছরের কম বয়সী ৯৯ শিশুকে তাৎক্ষণিক মুক্তির নির্দেশ দেন বিচারক। বাকি ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের ছয় মাসের জামিনের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, এসব শিশুকে সাজা দেওয়া সংক্রান্ত নথি এক সপ্তাহের মধ্যে তলব করেছেন আদালত।

আদালত বলেছেন, কোনো শিশুকে মোবাইল কোর্ট সাজা দিতে পারে না। শিশুরা অপরাধ করলে তাদের বিচার হবে শিশু আদালতে। একদিনের জন্যও কোনো শিশুকে বেআইনিভাবে সাজা দিয়ে আটকে রাখার এখতিয়ার নেই।

গাজীপুর ও যশোরের কিশোর উন্নয়নকেন্দ্র, যেগুলো কিশোরদের জেলখানা বা সংশোধনকেন্দ্র হিসেবে বহুলভাবে পরিচিত- সেখানে আটক রাখা হয় ১২১ শিশুকে। সরকারিভাবে এগুলোকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র বলা হলেও মূলত কিশোর অপরাধীদের জেলখানা বা সংশোধনকেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত বেশি।

মূলত ১৮ বছরের কমবয়সী অপরাধী বা অভিযুক্তদের আটকে রাখার জন্য এই কেন্দ্রগুলো ব্যবহৃত হয়।

মন্তব্য