| প্রচ্ছদ

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ সিআইএ সমর্থিত আফগান বাহিনীর বিরুদ্ধে

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৮ বার। প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০১৯ ।

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সমর্থনে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, নির্বিচারে বিমান হামলাসহ ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও হরণ করছে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার একটি মানবাধিকার সংস্থার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে। খবর যগান্তর অনলাইন

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, তারা এ পর্যন্ত ১৪টি ঘটনার তদন্ত চালিয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের মাঝামাঝি এসব ঘটনা ঘটেছে। সিআইএর সমর্থনে আফগান বিদ্রোহ দমন বাহিনী ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে।

গ্রুপটির এক প্রতিবেদন বলছে, যুদ্ধ আইন লঙ্ঘনের বড় ধরনের উদহারণ সৃষ্টি করেছে তারা। এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্যে কিছু ঘটনা যুদ্ধাপরাধের শামিল। আফগানিস্তানের সব প্রদেশেরই হত্যা, গুম ও বিমান হামলা চালাচ্ছে এই আধাসামরিক বাহিনী। আর এসব অপরাধের জন্য তাদের কোনো শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে না।

ব্যাপক নজরদারি ব্যবস্থার অধীন আইন মেনেই অভিযান চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সিআইএর মুখপাত্র।

টিমথি ব্যারেট বলেন, তালেবান কোনো আইন মেনে অভিযান চালাচ্ছে না। বরং তারা আরও খারাপ। আফগানিস্তানের বৈধ সরকারকে যারা সমর্থন দিচ্ছে, তাদের সুনামহানি করতে ব্যাপক অপ্রচার চালাচ্ছে তারা।

এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার জানিয়েছে আফগান সরকার। কিন্তু এক সামরিক কর্মকর্তা স্বীকার করেছে যে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ ইউনিট বিভিন্ন সময় ভুল করেছে।

পরিচয় গোপন রেখে ওই কর্মকর্তা বলেন, তারা সর্বোচ্চ জটিল অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু তারা কোনো গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে না। এখানে নজরদারি ও দায়িত্ববোধ রয়েছে।

আফগানিস্তানে সিআইএ সমর্থিত নিরাপত্তা বাহিনীর জঘন্য অপরাধের জন্য কুখ্যাতি রয়েছে। রাতের অন্ধকারে নৃশংস অভিযানের জন্য গ্রামবাসী ও জেলা কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযোগ দিচ্ছে।

কিন্তু এ বাহিনীর যেসব অপরাধে লিপ্ত, তা তদন্ত করার মতো সক্ষমতা ও রাজনৈতিক ইচ্ছা আফগান সরকারের নেই বলে দাবি করছে এই মানবাধিকার সংস্থাটি।

কূটনীতিকরা তাদের ডেথ স্কোয়াড নামের অভিহিত করেন।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, তাদের নিয়োগ, অস্ত্রে সজ্জিতকরণ থেকে শুরু করে নজরদারিও করছে সিআইএ। হত্যা কিংবা গ্রেফতার অভিযানের সময় প্রায়ই তাদের পাশে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর সদস্যরাও থাকেন।

মন্তব্য