| প্রচ্ছদ

‘স্কুল শিক্ষকদের বদলিতে তদবির করলে ব্যবস্থা’

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪০ বার। প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০১৯ ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, বদলির তদবির করা একটা অপরাধ। যারা এই অপরাধে জড়াবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শুক্রবার দুপুরে রাজশাহীতে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়ায় কি হয় আমরা জানি। সে কারণে আমরাও বলেছি, সবকিছু কম্পিউটারাইজড করতে হবে। কম্পিউটারই বলে দেবে, রহিম কোথায় যাবে, করিম কোথায় যাবে। ক্রাইটেরিয়া ফিক্সড করবেন, কম্পিউটার বলে দেবে কে কোথায় যাবে। বদলি প্রক্রিয়া অনলাইনে হবে, কোনো তদবির চলবে না। তদবির এক ধরনের অপরাধ। তদবির একটা দুর্নীতি।

তদবিরবাজদের হুশিয়ারি দিয়ে ইকবাল মাহমুদ বলেন, তদবির আর ঘুষ খাওয়া একই। যে কারণে কিছু কিছু তদবিরবাজদের আমি ধরেছি। জেলে ভরেছি। তদবিরবাজরা সাবধান! প্রাইমারি স্কুলের বদলির ব্যাপারে তদবির করবেন, আপনার সমস্যা।

তিনি বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হতে হবে। আপনারা এবার দেখেছেন পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া। আমরা অনিয়ম বন্ধ করতে পেরেছি। আমি পুলিশ বিভাগকে সাধুবাদ দিয়েছি। ধন্যবাদ দিয়েছি যে, তারা একেবারে দুর্নীতিমুক্তভাবে, কারও কথা না শুনে পুলিশের নিয়োগ হয়েছে। শিক্ষকও নিয়োগ হবে, কারও তদবিরে নয়। শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো দুর্নীতি সহ্য করা যাবে না। আমরা সহ্য করব না।

দুদকের হাত কেউ বেঁধে রাখেনি উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষকের পেনশন নিতে গিয়ে কি ভোগান্তি! সেটা আমরা বন্ধ করার চেষ্টা করছি। যারা অপরাধী তাদের আমরা ধরেছি। আমরা ঘুষ হাতেনাতে ধরেছি। আমাদের কেউ হাত বেঁধে দেয়নি। আমরা যে কোনো লোককেই ধরতে পারি। দুর্নীতি করলেই ধরা হবে। কোনো অনুমতি নিয়ে আমরা কাউকে ধরব না। আমরা সেটা দেখিয়ে দিয়েছি।

তবে এতেও খুব একটা লাভ হয়নি বলেই বক্তব্যের শুরুতে উল্লেখ করেন ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, ধরে ধরে জেলে পুরাটা দুদকের বড় কাজ না। দুদকের বড় কাজ হচ্ছে, দুর্নীতি যেন না হয় সেই কাজটা করা। আমি গত সাড়ে তিন বছরে দেখলাম, অনেক দুর্নীতিবাজ ধরে জেলে পুরা হল। কিন্তু লাভের লাভ তেমন কিছুই হল না। শেষ পর্যন্ত আমরা কাছে মনে হয়েছে, আমাদের দুটো জায়গায় মনে হয় কাজ করতে হবে। একটা হচ্ছে প্রাইমারি স্কুল, আরেকটা হাইস্কুল।

মন্তব্য