| প্রচ্ছদ

সৌদিতে নির্যাতনের শিকার সুমিকে উদ্ধার, দেশে ফেরার অপেক্ষায়

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫১ বার। প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ।

সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার সুমি আক্তারকে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করেছে সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা। বর্তমানে তিনি দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে ভালো আছেন বলে জানান সুমি আক্তারের স্বামী নুরুল ইসলাম।

মঙ্গলবার বিকেলে ভুক্তভোগী সুমি আক্তারের বিষয়ে খোঁজ নিতে আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকায় তার স্বামীর বাড়িতে গেলে  এ কথা জানিয়েছেন নুরুল ইসলাম।

এ সময় তিনি বলেন, সোমবার রাতে সুমির সঙ্গে কথা হয়েছে। সেখানকার লোকাল থানা থেকে পুলিশ গিয়ে সুমিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। বর্তমানে সে বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং ভালো আছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যত দ্রুত সম্ভব যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে দেশে পাঠানো হবে।

কয়েক দিন আগে সৌদিতে নির্যাতনের শিকার সুমি আক্তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিও কলে সাহায্য চেয়ে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। সুমি ভিডিও কলে বলেন- ‘ওরা আমারে মাইরা ফালাইবো, আমারে দেশে ফিরাইয়া নিয়া যান। আমি আমার সন্তান ও পরিবারের কাছে ফিরতে চাই। আমাকে আমার পরিবারের কাছে নিয়ে যান। এখানে আমার ওপর অনেক নির্যাতন করা হচ্ছে। আর কিছুদিন থাকলে হয়তো মরেই যাবো। তাই প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অনুরোধ আপনারা আমাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যান’।

সুমির ভিডিও কলটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর তার স্বামী নুরুল ইসলাম রাজধানীর পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।

চলিত বছরের জানুয়ারিতে গৃহকর্মীর ট্রেনিং শেষ করেন সুমি। পরবর্তীতে দালালদের প্রলোভনে ও বিদেশে গিয়ে ভালো টাকা আয়ের আশ্বাসে গত ৩০ মে ‘রূপসী বাংলা ওভারসিজ’ নামে একটি এজেন্সির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরবে পাড়ি জমান গৃহবধূ সুমি আক্তার। কিন্তু দালালরা বিদেশে পাঠানোর কথা বলে যে তাকে বিক্রি করে দিয়েছে সে কথা জানতেন না সুমি। সৌদি যাওয়ার সপ্তাহ খানেক পর তিনি ঘটনাটি বুঝতে পারেন।

মন্তব্য