| প্রচ্ছদ

বলিউড সিনেমা নিয়ে ভারত-আফগানিস্তানের কূটনৈতিক টানাপোড়েন!

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৮৫ বার। প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০১৯ ।

বলিউডে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ঐতিহাসিক কাহিনি ভিত্তিক সিনেমা বিতর্ক তুলেছে। বলা হচ্ছে, অতীতের মুসলিম শাসকদের নেতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে এই সব সিনেমা।

৬ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে আশুতোষ গোয়াড়িকর পরিচালিত ‘পানিপথ’। সঞ্জয় দত্ত ও অর্জুন কাপুর অভিনীত এই ছবির গল্প লেখা হয়েছে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে।

যার ট্রেলারে আফগানিস্তানের জাতীয় নায়ক আহমেদ শাহ আবদালিকে নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী এক শাসক হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার সূত্রে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের বিষয়টি জানা যায়।

ছবির ট্রেলার দেখার পরই নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত সাবেক আফগানিস্তান রাষ্ট্রদূত শায়দা আবদালি সরাসরি অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকে টুইট করে জানিয়েছেন, ‘‘আশা করি পানিপথ ভারত ও আফগানিস্তানের মৈত্রীর কথাটা মাথায় রেখেছে!’’

বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়েছে আফগানিস্তানের বিদেশ মন্ত্রণালয়। তাদের পক্ষে থেকেও কাবুলে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের কাছে বার্তা গেছে।

আফগানিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত টুইটারে লেখেন, ‘‘ঐতিহাসিকভাবে ভারতীয় সিনেমা ভারত এবং আফগানিস্তানের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে খুবই বড় ভূমিকা নিয়ে থাকে। আমি আশা করব এই বিষয়টি পানিপথ মাথায় রেখেছে। ’’

ভারতে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রদূত তাহির কাদিরিও একই সুরে আফগান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং আফগানিস্তানের উদ্বেগ তাদের জানিয়েছি। ’’

কৌশলগতভাবে ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী কাবুলের সঙ্গে সম্পর্ক বলিউডের একটি ছবির জন্য তিক্ত হয়ে যাক, এমনটা চায় না সাউথ ব্লক।

সর্বশেষ সঞ্জয়লীলা বানশালির ‘পদ্মাবত’ নিয়ে বেশি জল ঘোলা হয়।

ছবিতে সুলতান আলাউদ্দিন খিলজিকে নেতিবাচকভাবে দেখানো হয়। যা নিয়ে ভারতীয় ইতিহাসবিদেরা আপত্তি তোলেন। এ ছাড়া অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘কেশরী’ নিয়েও আপত্তি উঠে।

মন্তব্য