| প্রচ্ছদ

বগুড়ায় মিলন, সিরাজগঞ্জে রনি, গাইবান্ধায় হক্কানী ও জয়পুরহাটে স্বজন

উত্তরের ৪ জেলার ২৮ শীর্ষ  করদাতাকে সম্মাননা প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার
পঠিত হয়েছে ১৬৫ বার। প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০১৯ ।

উত্তরের ৪ জেলা বগুড়া, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা ও সিরাজগঞ্জের ২৮ শীর্ষ করদাতাকে বগুড়া কর অঞ্চলের পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা সদরের উপ-শহর এলাকায় বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে সম্মাননা প্রদান শেষে ৪দিন ব্যাপী কর মেলারও উদ্বোধন করা হয়।
কর বিভাগের নীতিমালা অনুযায়ী আয়কর প্রদানের ক্ষেত্রে ‘সর্বোচ্চ’, ‘দীর্ঘ মেয়াদী’, ‘নারী’ এবং ‘তরুণ’-এই চার ক্যাটাগরিতে প্রতিটি জেলায় ৭জনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। বগুড়া-১ আসনের সাংসদ আব্দুল মান্নান শীর্ষ করদাতের হাতে একটি করে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন। কর বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৪ জেলার মধ্যে বগুড়া চেম্বারের সভাপতি মাসুদুর রহামান মিলনই এবার নিয়ে একটানা ৯বার সর্বোচ্চ ক করদাতা নির্বাচিত হয়েছেন।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া অঞ্চলের কর কমিশনার আবু সাঈদ মোহাম্মদ মোস্তাক। বক্তৃতা করেন বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুম আলী বেগ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী, বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক ও বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান মিলন।
বগুড়ায় সর্বোচ্চ আয়কর প্রদানকারী ক্যাটারগরীতে যে ৩জন স্থান পেয়েছেন তারা হলেন- স্থানীয় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান মিলন, লিয়াকত আলী ও অশোক রায়। দীর্ঘ মেয়াদী কর প্রদানকারী হিসেবে যারা সম্মাননা পেয়েছেন তারা হলেন-মরিয়ম বেগম, আবুল মনসুর খান, সর্বোচ্চ নারী কর প্রদানকারী জিনিয়া পারভীন এবং তরুণদের মধ্যে সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী মনোনীত হয়েছেন আনোয়ার হোসেন।
সিরাজগঞ্জের শীর্ষ যে ৭ করদাতা সম্মননা পেয়েছেন তারা হলেন- সালাউদ্দিন রনি, জান্নাত আর হেনরি, দীপক কুমার ঘোষ, দুলাল কুমার সাহা, তপন কুমার দাস, সাথী ঘোষ ও মোস্তফা কামাল।
গাইবান্ধার শীর্ষ করদাতারা হলেন- আব্দুল লতিফ হাক্কানী, সাইদুর রহমান, শাহ্ আহসান হাবিব, প্রবীর কুমারসাহা, খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, দিল আফরুজা বানু সুইটি ও শরীফ মোহাম্মদ সুমন। জয়পুরহাটের সম্মাননাপ্রাপ্ত করদাতারা হলেন- স্বজন কুমার জাজোদিয়া, জাহিদ ইকবাল, নুরুল আমিন, বজলুর রশিদ মন্টু, এফ এম ইকবাল হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌসী রনি ও মাহমুদুল হাসান মেহেদী। 

 

মন্তব্য