| প্রচ্ছদ

শাহাদাতের মারধর কাণ্ডে ফাঁসছেন শাহীদও

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৮৩ বার। প্রকাশ: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ।

সতীর্থ আরাফাত সানির (জুনিয়র) গায়ে হাত তুলে ৫ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন পেসার শাহাদাত হোসেন। এর মধ্যে ২ বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তিন বছর তিনি বিসিবির কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। সঙ্গে আছে এক লাখ টাকা জরিমানা। নিষেধাজ্ঞার তিন বছরের মধ্যে কোনো গড়বড় হলে তাকে পুরো পাঁচ বছরই শাস্তি ভোগ করতে হবে। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে বিসিবি টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির প্রধান মিনহাজুল আবেদীন এই শাস্তির ঘোষণা দেন। তবে শাস্তির বিরুদ্ধে ২৬ নভেম্বর আপিল করতে পারবেন ৩৩ বছর বয়সী এ পেসার।

তবে ওই কাণ্ডে এবার ফাঁসছেন জাতীয় দলে খেলা আরেক পেসার মোহাম্মদ শহীদও। জানা গেছে, তিনিই নাকি ওই ঘটনায় ‘নাটের গুরু’। আর তাই তিনিও আসতে পারেন শাস্তির আওতায়।

গত রোববার খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচ চলাকালে সতীর্থ আরাফাতকে বল শাইনিং করতে বলেন শাহাদত। এটা নিয়ে এক পর্যায়ে আরাফাতের গায়ে হাত তোলেন তিনি। কিন্তু এই ঘটনাটি ঘটে মোহাম্মদ শহীদের ওভারেই। তারা তিনজনই ছিলেন একই দলের। শহীদের ওভারেই বল শাইন করতে বলা নিয়ে ঘটে এই ঘটনা। শহীদই আগে আরাফাতকে ধাক্কা দেন। তারপর চড় থাপ্পড় মারেন শাহাদাত, এমনকি লাথি মারারও অভিযোগ উঠে। কিন্তু ম্যাচ রেফারির রিপোর্টে শহীদের বিষয়টি ছিলো না।

তবে শাহাদাতের পর বিষয়টি নজরে এসেছে টেকনিক্যাল কমিটির। মূলত আম্পায়ারদের রিপোর্ট উঠে এসেছি বিষয়টি। আর তারপরই টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ইঙ্গিত দিয়েছেন, বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে শহীদকেও। তার বিষয় নিয়েও আলোচনায় বসবেন তারা।

শাহাদাত এবং শহীদ দুজনই আগেও ব্যক্তিগত জীবনে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন। গৃহকর্মীকে মারধরের কারণে জেলও খাটতে হয়েছে শাহাদাতকে। আর পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিসিবির দ্বারস্থ হন শহীদের স্ত্রী।

মন্তব্য