| প্রচ্ছদ

গায়িকাদের যৌন হেনস্তার অভিযোগে বহিষ্কৃত অনু মালিক

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১১৫ বার। প্রকাশ: ২২ নভেম্বর ২০১৯ ।

রিয়্যালিটি শো ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর বিচারকের আসন থেকে সুরকার অনু মালিককে সরিয়ে দেওয়া হলো। এই নিয়ে গায়িকা সোনা মহাপাত্র বললেন, “অবশেষে সত্যের জয় হলো। বিশ্বাস করুন, ভীষণ খুশি। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা নারীদের ওপর যৌন অত্যাচার-অবিচারের যেন সুবিচার হলো।

 

এক সাক্ষাৎকারে আরও বলেন, “একা আমি নই, সেই সমস্ত নারীরা খুব খুশি, যারা অনুর খপ্পরে পড়েছিলেন। দীর্ঘদিন পরে সুবিচার হলো অন্যায়ের। একের পর এক অপরাধ করার পরেও ওই লোকটি বহাল তবিয়তে ন্যাশনাল প্ল্যাটফর্মে কাজ করে যাচ্ছিল। যা দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে মোটেই ইতিবাচক ছিল না। এবার যদি টনক নড়ে অনুর মতো বাকি লোকেদের। ”

আমির খানের ‘সত্যমভ জয়তে’ অনুষ্ঠানে ‘রুপাইয়া’ শিরোনামে গান গেয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পান সোনা। তিনি জানান, অনুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ সবার মনোবল আরও বাড়িয়ে দিল। তবে এটা যুদ্ধের শেষ নয়, শুরু। অনুর মতো বাকিদেরও এভাবে সরাতে হবে।

 

২০১৮ সালে এই গায়িকা প্রথমবার অনুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন। তার জেরে গত বছরের সিজন ১০ থেকে সরে যেতে বাধ্য হন নামি সুরকার। এরপর অভিযোগ তোলেন নেহা ভাসিন ও শ্বেতা পণ্ডিত। এর জেরে চলতি আসরের মাঝে তিন সপ্তাহের ছুটিতে গেলেন অনু মালিক। যদি তদন্তে নির্দোষ হন তবেই ফিরবেন এই শোতে।

সোনা জানিয়েছিলেন, অনুকে বহাল রাখলে সনি চ্যানেলের বিরুদ্ধে নামবেন তারা। বৃহস্পতি চ্যানেলের পক্ষ থেকে বলা হয়, বহিষ্কৃত করা হয়েছে অনু মালিককে। তবে এই সুরকার সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেন, মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে তাকে। সুবিচার প্রার্থী তিনিও। এই ধরনের ঘটনা তাকে প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণা দিচ্ছে।

কিছুদিন আগে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে খোলা চিঠি লেখেন সোনা। এই চিঠির পরই জাতীয় নারী কমিশন অনু মালিককে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় চ্যানেলকে। কমিশন অফিশিয়াল টুইটারেও তাদের নোটিশ শেয়ার করে।

মন্তব্য