| প্রচ্ছদ

ইলিয়াস কাঞ্চনকে অপমানের প্রতিবাদ চলচ্চিত্রকর্মীদের

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৮৯ বার। প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০১৯ ।

বাংলা ছবির কিংবদন্তি অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনকে অপমানের প্রতিবাদ জানালেন চলচ্চিত্রকর্মীরা। সোমবার দুপুর পৌনে ১টায় রাজধানীতে এফডিসির সামনের সড়কে মানববন্ধন করেন তারা।

এ সময় বাংলাদেশ পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, সহ সভাপতি বদিউল আলম খোকন, শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান উপস্থিত ছিলেন। খবর সমকাল অনলাইন 

আরও উপস্থিত ছিলেন নায়িকা অঞ্জনা, অরুণা বিশ্বাস, চিত্রনায়ক ইমন, আলেক জান্ডার বো, মারুফ, পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান, শাহিন সুমন, ফিল্মক্লাবের সভাপতি আতিকুর রুহমান লিটন ও চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্যরা।

মানববন্ধনে শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বলেন, 'ইলিয়াস কাঞ্চন আমাদের কাছে একজন সম্মানী লোক, সম্মানী শিল্পী। দেশের মানুষের রাস্তায় নিরাপদে চলাচলের জন্য ২৫ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। মানুষের কল্যাণেই নিবেদিত এক প্রাণ। তাকে অপমান করা মানে শিল্পী সমাজকেই অপমান। আমরা তার অপমান সহ্য করব না। শিল্পীদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করবেন না।'

সেইসঙ্গে অবিলম্বে নতুন সড়ক আইন বাস্তবায়ন করারও দাবি তোলেন তিনি।

পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, 'আমরা ইলিয়াস কাঞ্চনের পাশে আছি। তিনি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের রাস্তায় নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। যারা পরিবহন শ্রমিক তাদের নিরাপত্তার জন্যও তার দাবি ভূমিকা রাখবে। তাহলে তাকে কেন অপমান করা হচ্ছে। আমরা চাই ইলিয়াস কাঞ্চনকে কেউ ভুল না বুঝে তার দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেগুলো বাস্তবায়নে সহমত পোষণ করুক।'

২৫ বছর ধরে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের জন্য লড়ে যাচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। ১৯৯৩ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী জাহানারার মৃত্যুর পর থেকে তিনি নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। এই সামাজিক আন্দোলনকে তিনি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন। দেশবাসীকে করেছেন সচেতন। রাষ্ট্রকে দিয়েছেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ। সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্র তাকে একুশে পদকে সম্মানিত করেছে।

এমন প্রিয় ব্যক্তিত্বের ওপর পরিবহন শ্রমিকদের নোংরা ভাষায় অপমান ও হামলার হুমকিতে ক্ষেপেছেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা। ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাতে সোমবার মানববন্ধন করলেন তারা।

মানববন্ধনের ডাক দেওয়া ১৮ সংগঠনের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক, শিল্পী, নৃত্যশিল্পী, চিত্রগ্রাহক, ফাইট ডিরেক্টর, সহকারী পরিচালকদের সমিতিগুলো।

মন্তব্য