| প্রচ্ছদ

বিএনপি এখনো জঙ্গিবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৮৪ বার। প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০১৯ ।

বিএনপি রোমহর্ষক হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার পর কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি বলে জানিয়ছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

তিনি বলেন, এতেই বোঝা যায় দলটি এখনো জঙ্গিবাদকে পৃষ্টপোষকতা করে যাচ্ছে।

তথ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এটা অত্যন্ত বিস্ময়কর এবং দুঃখজনক যে বিএনপি এখনো চরমপন্থী ও জঙ্গিবাদকে পৃষ্টপোষকতা করে যাচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, দেশের সবাই এই ঐতিহাসিক রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। এই রায় শুধু দেশে জঙ্গিবাদকে সঙ্কুচিতই করবে না, বরং পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটেও একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, কিন্তু বিএনপি এই রায়কে স্বাগত জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে করে আবার প্রমাণিত হলো তারা (বিএনপি) জঙ্গিবাদকে মদদ দেওয়ার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।

ড. হাছান আরো বলেন, ‘বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা জঙ্গিদের ব্যাপারে সব সময় দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলেন। এমনকি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি তালেবানী রাষ্ট্রে পরিণত করা।’

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় জঙ্গিবাদকে নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে।

জঙ্গিরা প্রিজন ভ্যানে কীভাবে আইএস এর লোগো সংবলিত টুপি পড়েছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে তিনি আরো বলেন, ‘বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় আমি এ ইস্যুতে কিছুই বলতে চাই না।’

হাইকোর্ট এলাকায় মঙ্গলবার বিএনপির বিক্ষোভ ও গাড়ি ভাংচুর বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম তারা (বিএনপি) ধ্বংস, ভাংচুর, সন্ত্রাসবাদ ও পেট্টলবোমা হামলার রাজনীতি ত্যাগ করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনা প্রমাণ করল তারা পরিবর্তন হয়নি এবং পরিবর্তন হবেও না।’

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরো বলেন, বিএনপি যদি সন্ত্রাসবাদকে সহায়তা দেওয়ার রাজনীতি বন্ধ না করে তবে তারা আরো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং অদূর ভবিষ্যতে তারা জনগণের শত্রুতে পরিণত হবে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে হাছান মাহমুদ বলেন, এটা আদালতের বিষয়।

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু গাড়ি, জনগণের সম্পদ বা সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে তাকে জেল থেকে মুক্তি করা কিছুতে সম্ভব নয়। গণতন্ত্রের অংশ হিসেবে তারা তাকে মুক্তির দাবিতে জনসভা, মিটিং ও মানববন্ধন করতে পারেন। কিন্তু জনগণের ওপর হামলা করা গণতন্ত্র নয়।’

খবর বাসস।

মন্তব্য