| প্রচ্ছদ

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীঃ ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পঠিত হয়েছে ২৫৯ বার। প্রকাশ: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ।

'বাঙালি জাগরণের জাতি। এই জাতির মুক্তির দূত হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হবে। দলমত নির্বিশেষে সবার উচিত বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করা। কারণ বঙ্গবন্ধুর মধ্যে আপামর জনসাধারণের সাথে মেশার একটা অসাধারণ ক্ষমতা ছিল। তিনি মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারতেন। এজন্যই তিনি আজ বঙ্গবন্ধু থেকে বিশ্ব বন্ধুতে পরিণত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন।'

শনিবার বিকাল ৪ টায় 'ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন’  শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাষ্ট্রদূত মসয়ূদ মান্নান এসব কথা বলেন।

স্বেছাব্রতী নাগরিক সংগঠন প্রত্যাশা ২০২১ ফোরাম হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড এর কনফারেন্স রুম লালমাটিয়া মোহাম্মদপুর এই সেমিনারের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের সভাপতি এস এম আজাদ হোসেন। আলোচনার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ডের কান্ট্রি ডিরেক্টর আতাউর রহমান মিটন,  প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের কার্য নির্বাহী সদস্য ড. আরিফ আলম লেনিন, মহিদুল হক খান। সাংগঠনিক সচিব মাশুক শাহীসহ নাগরিক সমাজের আরো অনেকেই আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের শত বর্ষ পূর্ণ হবে। এর ঠিক পরের বছর ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে। তাই সরকার ২০২০-২১ সালকে মুজিব বর্ষ  হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী  বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপিত হবে ব্যাপকভাবে এবং সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে এই উদযাপনের সাথে সম্পৃক্ত করা হবে। শিশু, তরুণ, যুবক সকলের জন্য আলাদা আলাদা কর্মসূচির ব্যবস্থা থাকবে এবং প্রতিটি ইউনিয়নের ওয়ার্ড, গ্রামে-গঞ্জে এই আয়োজন বিস্তৃত থাকবে।

২০২০ সাল থেকে শুরু করে ২০২১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত মুজিববর্ষ  এবং ২৬ মার্চে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে। সুতারাং মুজিব বর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকে ঘিরে সরকারের একটি ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু  মুজিব বর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের শানে-নুযুলটি কী, সেই বিষয়টির দিকে আমাদের একটু খেয়াল রাখা দরকার। কারণ বঙ্গবন্ধু ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত একটি স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মের শতবছর পেরিয়ে আমরা তার স্বপ্নের কতটুকু কাছাকাছি পৌছাতে পেরেছি সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হতে পারে। তাই ২০২১ সালে ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে হলে সরকারের উচিত হবে ইউনিয়ন ভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা।

মন্তব্য