| প্রচ্ছদ

নওগাঁয় লাশ গুম করায় ফেঁসে গেলো একই পরিবারের ৬ জন

নওগাঁ (বগুড়া) প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ৭৪ বার। প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ ।

নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের চকসাবাই গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে মোবারক হোসেন (৬২) এর লাশ গুম করার অপরাধে ফেসেঁ গেছে একই পরিবারের ৬ জন।

বুধবার বিকালে নওগাঁর মান্দা সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লাশ গুম করার স্বীকারোক্তিমূলুক জবানবন্দি প্রদান করেছে। জবানবন্দি গ্রহন শেষে তাকে ওইদিন রাতেই জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। 

তবে এর আগেও অপর ৫ আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

এরা হলেন, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার গুপিনাথপুর এলাকার মৃত মোখলেছার রহমানের মেয়ে আঙ্গুরী খাতুন (৩৫), মোসলেমা বিবি(৩০), জেসমিন আক্তার(২৫), মোখলেছারের স্ত্রী জোসনা বিবি (৫৮), জামাই ইউসুফ আলী(৩৮) ও আল আমিন(৩৬)। এই ঘটনার মূল হোতা মোবারকের প্রেমিকা আঙ্গুরী খাতুন।

মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় আঙ্গুরী খাতুন ঢাকায় বসবাস করা কালীন মোবাইল ফোনে মোবারক হোসেনের সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। এদের মধ্যে একাধিকবার দৈহিক সম্পর্কও হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর ঢাকা থেকে বাবার বাড়ি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার গুপিনাথপুর গ্রামে আসে আঙ্গুরী খাতুন। ওইদিন দুপুরে মোবারক মহাদেবপুর আঙ্গুরীর বাড়িতে যায়। সেখানে মোবারক দৈহিক মেলামেশার করার উদ্দেশ্যে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খাবার পর মোবারক অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কিছুক্ষনের মধ্যে মারা যায়। পরে আঙ্গুরী ও তার পরিবারের লোকজন রাতে নিহত মোবারক হোসেনের লাশ মান্দা এলাকার আত্রাই নদীতে ফেলে দেয়।

গত ৪ ডিসেম্বর নওগাঁর মান্দা উপজেলার লক্ষ্মীরামপুর এলাকায় আত্রাই নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ৫ ডিসেম্বর নিহতের মেয়ে কাজল রেখা বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করে।

পরে আসামীদের পুলিশের নিকট স্বীকারোক্তি ও ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রদানকৃত জবানবন্দি অনুযায়ী প্রাথমিক ভাবে লাশ গুম করার বিষয়টি উদঘাটন হয়েছে।

তবে তাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা তা ময়নাতদন্ত রির্পোট পাওয়ার পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন মান্দার থানার ওসি মোজাফ্ফর হোসেন।

মন্তব্য