| প্রচ্ছদ

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করল ‘প্রত্যাশা ২০২১ ফোরাম’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পঠিত হয়েছে ৮৩ বার। প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর আল-শামস নীল নকশা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বেছে বেছে হত্যা করে। পাকিস্তানি হায়েনার দল পরাজয় নিশ্চিত ভেবে গোটা জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে তারা এই কাজটি করেছিল। জাতি আজ বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করেছে। 

স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক সংগঠন প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের পক্ষ থেকে শনিবার সকাল ১০ টায় রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের সভাপতি এস এম আজাদ হোসেনের নেতৃত্বে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ লাখো শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

এরপর রায়ের বাজার বধ্যভূমির মুক্তাঙ্গনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের সভাপতি এস এম আজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের সদস্য সচিব রুহি দাস, সহ সভাপতি শামসুন নাহার কোহিনূর, সাংগঠনিক সচিব মাশুক শাহী, সাংস্কৃতিক সচিব শাহিদা পারভীন, আনজুমান আখতার, সৈয়দা ইয়াসমিন, মো. সোহেল রানা, মো. আরিফুল ইসলাম ও রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, '১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে স্বাধীনাতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তানি বাহিনী পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের অসংখ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎক, প্রকৌশী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে তাদের নির্যাতন করে হত্যা করেন। বাংলাদেশ মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে তারা মূলত এই পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত করেন। পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর হত্যাকারীরা ঢাকার রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ ফেলে রাখে। অনেকের দেহে ছিল অসংখ্য নির্যাতনের চিহ্ন, অনেককেই জবাই করেও হত্যা করা হয়েছিল। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের কথা আমরা কোনদিন ভুলতে পারব না। স্বাধীনতার স্বপ্ন ক্ষুধা-দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত একটি সোনার বাংলা গড়ে তোলা। স্বাধীনতার সেই স্বপ্ন পূরণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। এখনো আমরা বৈষম্য থেকে ম্ক্তু হতে পারিনি, ক্ষুধা-দারিদ্র্য ও অপুষ্টি থেকে ম্ক্তু হতে পারিনি।'

আগামী ২০২১ সালে মুক্তযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে। প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের পক্ষ থেকে আমরা দাবি করছি ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হোক ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশে।

মন্তব্য