| প্রচ্ছদ

বোলিংয়ে কিপটেমি, ব্যাটিংয়ে ঝড় মেহেদির

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৮ বার। প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ।

ব্যাটটা আগে থেকেই চালাতে পারেন ডানহাতি অফ স্পিনার মেহেদি হাসান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঁচটি সেঞ্চুরি আছে তার। লিস্ট 'এ' ক্রিকেটের একটি সেঞ্চুরি তারই প্রমাণ দেয়। এবারের বিপিএলে ব্যাটটা জোরের ওপর চালানোর সুযোগ করে দিয়েছেন ঢাকা প্লাটুনের অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা। সেই সুযোগটা দারুণ কাজে লাগিয়ে নিঁখাদ অলরাউন্ডার হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দিলেন মেহেদি হাসান।

কুমিল্লা ওয়ারির্সসের বিপক্ষে তিনি খেলেছেন ২৯ বলে ৫৯ রানের দারুণ ইনিংস। তিনে ব্যাট করতে নেমে তার এই ইনিংসই ম্যাচটা সহজ করে দেয় ঢাকার জন্য। যদিও শেষ পর্যন্ত শহিদ আফ্রিদি এবং মুমিনুল হক দারুণ দুটি ইনিংস খেলে ম্যাচটা শেষ করেছেন। দলকে জিতিয়েছেন এক বল থাকতে পাঁচ উইকেটে।

প্রথমে ব্যাট করে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স লংকান ওপেনার ভানুকা রাজাপাকশের ৯৬ রানের ইনিংসে ভর করে ১৬০ রান তোলে। কুমিল্লার হয়ে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন ইয়াসির আলী। জবাব দিতে নামা ঢাকা শুরুতে এনামুল হক বিজয়কে হারায়। তিনে ব্যাটে নামেন মেহেদি হাসান। এর আগের এক ম্যাচের মতো তাকে নামানোর উদ্দেশ্য ছিল আফগান অফ স্পিনার মুজিব উরকে সামলানো এবং উইকেট বাঁচানো। সঙ্গে কিছু বোনাস রান পাওয়া।

মেহেদি মুজিবকে সামলে, উইকেট বাঁচানোর সঙ্গে তোলেন এক ঝড়। ২২ বলে বিপিএলের যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম ফিফটি পূর্ণ করেন। তার ৫৯ রানের ইনিংসে ছক্কা তোলেন সাতটি। চার মারেন মাত্র দুটি। ব্যাটিং করেন দুইশ' ছাড়ানো স্ট্রাইক রেটে। তিনি ফিরে যেতেই পরপর দুই উইকেট তুলে নেন কুমিল্লার মুজিব উর। চাপে পড়ে যায় ঢাকা। তামিম সেই চাপ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেও ৪০ বলে ৩৪ রান করে ফিরে যান।

পরে আফ্রিদি ১৬ বলে ২৬ এবং মুমিনুল ২৬ বলে ২৮ করে দলকে জেতান। এর আগে বল হাতে ঢাকার মেহেদি ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচা করে নেন ২ উইকেট। দুর্দান্ত অলরাউন্ডার পারফরম্যান্স করার তিনি যে ম্যাচ সেরা হবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

মন্তব্য