| প্রচ্ছদ

দীপিকার সিনেমা দুই রাজ্যে করমুক্ত

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৮ বার। প্রকাশ: ১০ জানুয়ারী ২০২০ ।

দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘ছাপাক’কে করমুক্ত ঘোষণা করেছে ভারতের দুটি রাজ্য। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ ও ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল টুইটে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

কমলনাথ টুইটারে লেখেন, “অ্যাসিড আক্রান্তের জীবনের ওপর তৈরি দীপিকার ছবি ‘ছাপাক’ মুক্তি পাচ্ছে ১০ জানুয়ারি। আমি এই ছবিকে আমার রাজ্যে করমুক্ত করছি।”

সিনেমাটি সম্পর্কে বলেন, “এই ছবি সমাজে একটা ইতিবাচক বার্তা দেবে। এই ছবি সমাজে এক লড়াইয়ের গল্প বলবে। যা সমাজের এক মানসিকতার পরিবর্তনে সাহায্য করবে বলে আমার মনে হয়।”

একইভাবে ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল লেখেন, “ছাপাক’ এমন একটি ছবি যা নারীদের ওপর অ্যাসিড হামলার বিরুদ্ধে সচেতনতার বার্তা দেয়। তাই আমার রাজ্যে এই ছবি করমুক্ত করার ঘোষণা করছি। সবার কাছে অনুরোধ সমাজকে সচেতন করতে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে ছবিটি দেখে আসুন।”

মেঘনা গুলজার পরিচালিত ছবিটিকে রাজস্থানেও করমুক্ত করার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস।

যদিও জেএনইউ হামলার পর দীপিকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোয় বিজেপির সমর্থকেরা ‘ছাপাক’ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তবে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, “এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশ যেকোনো শিল্পীর যেখানে খুশি গিয়ে তার মতামত প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে।”

এ দিকে একই বিষয়ে দীপিকাকে একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তার মতে, নায়িকা তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন যারা ভারতকে ভেঙে টুকরো করে ফেলতে চাইছে।

বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে একটি অনুষ্ঠানে স্মৃতি বলেন, “দীপিকা কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। আমার মনে হয় যারা এই খবরটি পড়বেন তারাই বুঝতে পারবেন যে আপনি কাদের পাশে দাঁড়াতে চলেছেন। দীপিকা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন যারা এই দেশটাকেই ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলতে চাইছে। যারা সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু উদ্‌যাপন করে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন দীপিকা।”

এখানে সম্প্রতি ভাইরাল ২০১১ সালের একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও’র উল্লেখ করেছেন স্মৃতি। যেখানে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চেয়েছিলেন দীপিকা।

এ ছাড়া বিজেপি নেতা সম্বিৎ পাত্র ও তেজিন্দর বগ্গার কটাক্ষের মুখে পড়েন দীপিকা।

মন্তব্য