| প্রচ্ছদ

দীপিকার জায়গায় কঙ্গনা হলে কী করতেন?

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪৬ বার। প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারী ২০২০ ।

শুক্রবার ‘ছাপাক’ মুক্তি পাওয়ার পর দীপিকা পাড়ুকোনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কঙ্গনা রনৌত। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্বাসের ফারাক মনে করিয়ে দিতে ভুললেন না।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়- সম্প্রতি দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) গিয়ে ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষের সঙ্গে দীপিকার দেখা করেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থনও জানান। আর এই প্রসঙ্গে একেবারেই উল্টো সুর ‘কুইন’-এর মুখে।

কঙ্গনা বলেছেন, “জেএনইউ-তে দীপিকার যাওয়া একেবারেই ওর গণতান্ত্রিক অধিকার। ও খুব ভালো করেই জানে, কী করছে, কেন করছে... সে বিষয়ে আমার কোনো মতামত থাকা উচিত নয়। আমি ওকে বলতেও পারি না যে ওর কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়।”

কিন্তু তিনি হলে কী করতেন? এই প্রশ্নে কঙ্গনার জবাব, “আমি অবশ্যই যেতাম না। দাঁড়াতাম না টুকড়ে টুকড়ে গ্যাংয়ের পাশে। যারা দেশ ভাগ করতে চায়, তাদের প্রতি আমার কোনো সহানুভূতি নেই। সেনাকর্মীরা মারা গেলে যারা উৎসব করে, তাদের কখনোই আমি ক্ষমতায় আনতে চাই না।”

কঙ্গনা আসলে বিজেপির সুরে কথা বলছেন। বলিউডের অনেকের মতে, গেরুয়া শিবিরই এত দিন দাবি করে এসেছে সীমান্ত এলাকায় জঙ্গি হামলায় কোনো সেনাকর্মী মারা গেলে তা ‘উদ্‌যাপন’ করে জেএনইউ-সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম-অতিবাম ছাত্র সংগঠন। এ বার সেই সুরই ধরা পড়েছে কঙ্গনার গলায়।

১০ জানুয়ারি জেএনইউ-তে যান দীপিকা। তার কয়েক দিনের মধ্যেই মুক্তি পেয়েছিল দীপিকা অভিনীত, মেঘনা গুলজার পরিচালিত ছবি ‘ছাপাক’। দীপিকার জেএনইউ যাওয়াকে কেন্দ্র করে ঝড় উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ট্রেন্ড উঠেছিল ‘আই সাপোর্ট দীপিকা’। পাল্টা ট্রেন্ড হয়েছিল ‘বয়কট ছাপাক’।

এই দুই ট্রেন্ডের টানাপোড়েনে বক্স অফিসে লাভ হয়নি ‘ছাপাক’-এর। সমালোচকেরা মনে করেন, ছবি মুক্তির তিন দিন আগে দীপিকার জেএনইউতে যাওয়া ‘ব্যাকফায়ার’ হয়ে লাগে গায়ে।

তবে এ কথা মানতে নারাজ কঙ্গনা। তার মতে, “টুইটারে ভারতের জনসংখ্যার খুব অল্পই মানুষ রয়েছেন। তাই দীপিকার জেএনইউ যাওয়া নিয়ে টুইটার-ট্রেন্ডের সঙ্গে ছবি ফ্লপ হওয়ার কোনো যোগাযোগ নেই।”

মন্তব্য