| প্রচ্ছদ

শিশুর হার্ট ও মস্তিষ্কের সর্বনাশ ডেকে আনছে প্যাকেটজাত খাবার

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫২ বার। প্রকাশ: ২২ জানুয়ারী ২০২০ ।

বর্তমানে শিশুরা প্যাকেটজাত খাবারে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। বাসায় রান্না করা খাবারে তাদের যথেষ্ট অনীহা। মায়েরা খাবারের সময় বিরক্তি এড়াতে শিশুদের হাতে তুলে দেন ফাস্টফুড কিংবা প্যাকেটজাত খাবার। এটি শিশু স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হার্ট ও মস্তিষ্কের বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে প্যাকেটজাত খাবারে। খবর যুগান্তর অনলাইন

বেশিরভাগ পরিবারে বাবা ও মা কর্মজীবী। তাই তারা ঠিকমতো সন্তানের যত্ন নিতে পারেন না। ঘরে ও বাইরের কাজ সামলানোর মারাত্মক চাপ। তাই রান্না করার সময়ই নেই। নিজের কাজের ফাঁকে দুপুরের খাবারটা যেমন দ্রুত সেরে নেন, তেমনই বিকালের টিফিনেও থাকে প্রক্রিয়াজাত খাবার।

বাবা-মা কর্মজীবী হওয়ায় শিশুর খাবারের বিষয়েও সতর্ক থাকতে পারেন না অনেক সময়। এত করে শিশু ঝুকে পড়ে ফাস্টফুড ও প্যাকেটজাত খাবারের দিকে। বার্গার, চিপসে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে শিশুরা।

অতিরিক্ত প্যাকেট ফুড, ফাস্টফুড খাওয়ার ফলে শিশু স্বাস্থ্যের বিকাশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিনই প্যাকেটজাত খাবার খাওয়ার কারণে জটিল সব রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। উচ্চ তাপমাত্রায় তৈরি এসব খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারে সাধারণত উচ্চমাত্রার ট্রান্সফ্যাট থাকে। এই ট্রান্সফ্যাট শিশুর হার্ট ও মস্তিস্কের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, খাবার তালিকায় চিকেন ফ্রাই, বার্গার, পটেটো চিপস বা কোল্ড ড্রিংকসের মত খাবার রাখলে তা মস্তিষ্কে বেশি প্রভাব ফেলে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাবারে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ২ শতাংশ ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ করা যেতে পারে। এর বেশি হলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। প্যাকেটজাত খাবারে ট্রান্সফ্যাটের মাত্রা অনেক বেশি।

এই কারণে ২০১৮ সালেই যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ হয় ট্রান্সফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার। অন্যান্য দেশও সতর্ক হচ্ছে। ২০০৭ সালে প্রথম দেশ হিসেবে ডেনমার্ক ট্রান্সফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার তৈরি ও বিক্রিতে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

মন্তব্য