| প্রচ্ছদ

ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধরের মামলা

নওগাঁয় ইউপি চেয়ারম্যানের এক বছরের কারাদণ্ড

নওগাঁ (বগুড়া) প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ৮৮ বার। প্রকাশ: ২২ জানুয়ারী ২০২০ ।

দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধরের মামলায় নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রাইগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম মুঞ্জুসহ নয়জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিকালে নওগাঁর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫ এর বিচারক সাইফুল ইসলাম এ রায় দেন। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুকে এক বছরের ও অপর আট আসামিকে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দিলীপ কুমার সাহা নামে ব্যক্তি ২০১৭ সালে কুরবানীর ঈদ উপলক্ষে মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজীহাটে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের যোগসাজশে ইজারাদারের লোকজন গবাদিপশু কেনাবেচায় অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাজে অভিযোগ করেন। অভিযোগ করায় ওই বছরের ৩০ আগস্ট উপজেলার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ছয়জনকে জরিমানা করেন।

এই ঘটনার জেরে ২০১৭ সালের ১ সেপ্টম্বর ফুটবল খেলার মাঠে রাইগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম দলবল নিয়ে দিলীপ কুমারের ওপর হামলা চালায় এবং মাতাজীহাটে অবস্থিত দিলীপ কুমারের মালিকানাধীন শুভজিৎ হোটেল এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার নামে একটি দোকান ঘরে ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে চেয়ারম্যানের লোকজন। ওই দিনই মহাদেবপুর থানায় চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দিলীপ কুমার।

পুলিশি তদন্তে শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানির পর বুধবার বিকেলে নওগাঁর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫ এর বিচারক সাইফুল ইসলাম রাইগাঁ ইউপির চেয়ারম্যানকে এক বছরের ও তার তিন সহোদর সুলতান মাহমুদ, বদিউল আলম, শাহ আলমসহ মামলার অপর আট আসামিকে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। এসময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায়ের পর আসামিরা আদালতে জামিন আবেদন করলে চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম ছাড়া অন্য আসামিদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। মঞ্জুর আলমকে আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলায় বাদী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী আব্দুস সামাদ ও মোকসেদ আলী এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোফাখখার ইসলাম।

মন্তব্য