| প্রচ্ছদ

মেহবুবা মুফতিকে বন্দি রাখার কারণ শুনে হতভম্ব ইলতিজা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫২ বার। প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ।

গত বছরের ৫ আগাস্ট থেকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিকে।

জননিরাপত্তা আইনের (পিএসএ) অধীনে সম্প্রতি মেহবুবা মুফতির এই বন্দিদশাকে আরো দীর্ঘায়িত করেছে ভারত সরকার।

গত বছরের আগস্টে ভারতের সংসদে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের আইন পাশের পর থেকেই গৃহবন্দি মেহবুবা মুফতি।

সে সময় কাশ্মীরিদের বিক্ষোভ ঠেকাতে মেহবুবা মুফতিসহ ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা কাশ্মীরের আরেক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহকে গৃহবন্দি করা হয়।

বন্দিত্বের ছয় মাস কাটতেই তাদের বিরুদ্ধে গণনিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করেছে কেন্দ্র। এ ঘটনায় উপত্যকার পিডিপি নেতারা এই আইন আরোপের তীব্র বিরোধিতা করছেন।

এরই মাঝে মেহবুবা মুফতির ওপর গণনিরাপত্তা আইন তথা পিএসএ আরোপের কারণ জানিয়েছে সরকার।

কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে, মুফতির দল পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (পিডিপি) সবুজ পতাকাই তার বন্দিদশা দীর্ঘায়িত করার জন্য দায়ী। পিডিপির সবুজ পতাকা জঙ্গিবাদেরই ইঙ্গিত দেয়।

সম্প্রতি ৬ পৃষ্ঠার একটি সরকারি বিবৃতিতে মেহবুবা মুফতির বিরুদ্ধে ভারত সরকার পক্ষের অভিযোগ, তিনি দেশবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছেন এবং বেআইনি কর্মকাণ্ড (প্রতিরোধ) আইনের আওতায় নিষিদ্ধ জামায়েত-ই-ইসলামির মতো সংগঠনগুলোকে সমর্থন দিয়েছেন।

শুধু তাই নয়; মেহবুবা মুফতিকে একজন কুচক্রী হিসাবে উল্লেখ করে তাকে বিপজ্জনক বলে আখ্যা দিয়েছে ভারত সরকার।

এমনকি মেহবুবা মুফতির বিপজ্জনক কাজ ও দখলদারী মানসিকতার সঙ্গে তার বাবার তুলনা করে তাকে বাবার মেয়ে বলেও কটাক্ষ করেছে সরকার।

মা ও তার দলের বিষয়ে সরকার পক্ষের এমন সব মন্তব্যে অবাক হয়েছেন মেয়ে ইলতিজা মুফতি।

রোববার ইলতিজা মুফতি একের পর এক টুইট করে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন।

মন্তব্য