| প্রচ্ছদ

আবারও বলছি খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, তাকে মুক্তি দিন: ফখরুল

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৬১ বার। প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালদা জিয়া 'অত্যন্ত' অসুস্থ দাবি করে তাকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেছেন, 'খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, তাকেও দুই বছর সাত দিন ধরে কারাগারে আটকে রেখেছে। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ, আমরা তার মুক্তির মাধ্যমে সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছি। কিন্তু সরকার কোনো সহযোগিতা করেনি, আমরা আবারও বলছি বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ তাকে মুক্তি দিন'।

শনিবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি থেকে তিনি এসব বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, '১৬ কোটি মানুষের নয়নের মণি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আমাদের ঘোষিত কর্মসূচি ছিল বিক্ষোভ মিছিল। এতে পুলিশ বাধা দিয়েছে, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে, কার্যালয়ের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে বাধা দিয়েছে'। 

তিনি বলেন, 'সরকার মনে করেছে, এভাবে দমন-নিপীড়ন, বাধা দিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে। জনগণের যে প্রাণের দাবি তাকে বাধাগ্রস্ত করবে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে এভাবে দমন-পীড়ন চালিয়ে কখনও ক্ষমতায় থাকা যায় না'। 

ফখরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। এটা ফেব্রুয়ারি মাস, ১৯৫২ সালে এদেশের মানুষ মায়ের ভাষার জন্য নিজের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দাবি আদায় করেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'এ সরকার বেআইনি, দখলদারি সরকার, জনগণের কোনো ম্যান্ডেট ছাড়া তারা জোর করে ক্ষমতা দখল করে আছে। একদলীয় শাসন কায়েম করতে সমস্ত দমন-নিপিড়ন, নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। আজ সরকারের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই, আমাদোর ২৫ লাখ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে'।

এর আগে শনিবার সকাল থেকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে কঠোর অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘিরে রাখা হয় বিএনপির কার্যালয়।

পরে বিক্ষোভ মিছিলের পরিবর্তে শর্তসাপেক্ষে সমাবেশের অনুমতি পায় দলটি। বেলা ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুলিশ সরে যায়।

পুলিশের পল্টন জোনের উপ-কমিশনার এনামুল হক মিঠু বলেন, আমাদের কাছে বিক্ষোভ মিছিলের অনুমতি নেই। সে জন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নয়াপল্টনে অবস্থান নিয়েছি।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

মন্তব্য