| প্রচ্ছদ

বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ যেন এক টুকরা বিকেএসপি!

পুণ্ড্রকথা রিপোর্ট
পঠিত হয়েছে ২৭৬ বার। প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ।

স্কুল ছুটি হলেই বই খাতা রেখে ফুটবল এবং ক্রিকেটের ব্যাট বল নিয়ে মাঠে নেমে পড়ে ওরা। অন্য দিনের তুলনায় ‘হাফ স্কুল’ বলে বৃহস্পতিবার খেলার জন্য একটু বেশিই সময় পায়। আর ছুটির দিন শুক্রবার দুপুর গড়ালেই কার শক্তি ওদের ঠেকায়! খেলা পাগল শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মাঠের এই অনুশীল চোখে পড়ে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ মাঠে।
জেলা থেকে বিভাগ এবং জাতীয় পর্যায়ে টুর্নামেন্টগুলোতে ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে ফুটবল ও ক্রিকেটের প্রতি প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের আগ্রহও দিন দিন বাড়ছে। সর্বশেষ গত ৩০ অক্টোবর ঢাকায় আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘ক্লিয়ার মেন অনুর্ধ্ব-১৭ স্কুল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ’ টুর্নামেন্টে চ্যাাম্পিয়ন হয়েছে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দল। এবার স্কুলটির এই অর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দশক পর বগুড়া আবারও দেশ সেরার তালিকায় স্থান করে নিল। স্বাধীনতার পূর্বে ১৯৬৮ সালে ইন্টারস্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় বগুড়ার করনেশন ইন্সটিটিউশন (বর্তমানে করনেশন স্কুল ও কলেজ) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন হয়।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহযোগিতায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ক্লিয়ার মেন অনুর্ধ্ব-১৭ স্কুল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের ৮টি বিভাগ থেকে মোট ২৭২টি স্কুল দল অংশ গ্রহণ করে। রাজশাহী বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর চুড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোট ১১টি খেলায় অংশ নিয়ে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দল ১০টিতেই বিজয়ী হয়। লিগ পর্যায়ের তৃতীয় রাউন্ডের খেলায় দলটি শুধু ঢাকা বাসাবো স্কুলের কাছে পরাজিত হয়। এর আগে ২০১৭ সালে পুলিশ লাইন্স স্কুল ফুটবল দল বগুড়া জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। 
 ক্লিয়ার মেন অনুর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়ন বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দলের সদস্যরা হল- অধিনায়ক সাজ্জাদ হোসেন (নবম শ্রেণি), খালিদ মাহমুদ সিফাত (দশম শ্রেণি), তাসিন ইসলাম (নবম), মোস্তাক মাহিম নাসিদ (অষ্টম), আল-আরাফাত (নবম), আকিবুল্লাহ্ জাওয়াদ সাাকিল (দশম), পারভেজ মোর্শেদ (দশম), রাফিউল করিম তন্ময় (নবম), মোঃ সফিউল্লাহ্ (নবম), রিয়াদ হোসেন (নবম), মনিরুজ্জামান আকিক (নবম), কামরুল হাসান রূপম (নবম), রাহেমুজ্জামান (নবম) ও গোল রক্ষক শাহরিয়ার হোসেন (নবম)। 
ওই টুর্নামেন্ট থেকে বাছাই করা ৩৬ জন ফুটবলার নিয়ে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ‘বুট ক্যাম্প’ করা হবে। এরপর সেরা ৬ কিশোর ফুটবলার ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার সিটির একাডেমিতে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে। পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষের আশা ম্যানচেস্টার সিটির প্রশিক্ষণ একাডেমিতে তাদের একাধিক খেলোয়াড় সুযোগ পাবে।
দেশ সেরা হওয়ার পর ক্ষুদে এসব ফুটবলাররা এখন জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখছেন। তারা বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূইয়া, মোহাম্মদ নাবীব নেওয়াজ জীবন এবং মোহাম্মদ টুটুল হোসেন বাদশার খেলা অনুসরণ করেন। বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দলের অধিনায়ক সাজ্জাদ হোসেন জানায়, পড়ালেখার ক্ষতি হবে এমন ভাবনা থেকে প্রথম দিকে তার বাবা-মা তাকে ফুটবল খেলতে দিতে চাইতেন না। তবে এখন অবশ্য উৎসাহ দেন। জাতীয় ফুটবল দলে খেলার স্বপ্ন দেখা সাজ্জাদ হোসেন বলে, ‘আমি দেশের হয়ে জাতীয় দলে খেলতে চাই। দেশের সেরা সাফল্যে আমিও অবদান রাখতে চাই।’ একই মন্তব্য করেছে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০টি গোল দেওয়া রাফিদ আল হাসানও। খালিদ মাহমুদ সিফাত  জানায় তার পরিবারের সদস্যরা এখন ফুটবল খেলায় বেশ উৎসাহ দেন। যে কারণে সে খেলায় পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারছে।
বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজের ফুটবল দলের এই সাফল্যের নেপথ্যের করিগর ওই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক আব্দুল বাছেদ ও খোরশেদ আলম বাবু। তারা দু’জনেই এক সময় বগুড়া জেলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় ছিলেন। আব্দুল বাছেদ ১৯৯৪ সালে ওই বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। কাগজে-কলমে তিনি বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক হলেও ফুটবলসহ সব ধরনের খেলার ব্যাপক আগ্রহ দেখে কর্তৃপক্ষ এক সময় তাকে শারীরিক শিক্ষার দায়িত্ব দেন। সহযোগী হিসেবে পাশে পান ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক খোরশেদ আলম বাবুকে। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মেধা দিয়ে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলায় আগ্রহী করে তোলার কাজ শুরু করেন।
তবে শুরুটা তাদের জন্য সহজ ছিল না। কারণ পড়ালেখার ক্ষতি হবে ভেবে কোন অভিভাবকই তাঁদের সন্তানদের খেলাধুলায় নাম লেখাতে চাইতেন না। অবশ্য তাতে তারা দমে যাননি। বরং প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের মাধ্যমে ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে বিভিন্ন সময় সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সুপারদের পরামর্শ ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় তারা ফুটবল, ক্রিকেট এমনকি হকি খেলাকে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হন। পড়ালেখার পাশাপাশি বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজকে আদর্শ একটি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে যাঁরা কাজ করেছেন তাদের মধ্যে বগুড়ার সাবেক তিন পুলিশ সুপার যথাক্রমে আকরাম হোসেন, মোজাম্মেল হক ও আসাদুজ্জামান অন্যতম। তাদের মধ্যে মোজাম্মেল হক স্কুলর সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময় শিক্ষার্থীদের হকিতে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করেন। পূর্বসূরীদের মতই বর্তমান পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞাও শিক্ষার্থীদের খেলায় মাতিয়ে রাখার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
 শিক্ষক আব্দুল বাছেদ জানান, যেসব ছেলের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ রয়েছে কিংবা যাদের শারীরিক গঠন ভাল তাদেরকে পড়ালেখার পাশাপাশি নিয়মিত মাঠে অনুশীলনে রাজি করানোর জন্য অধ্যক্ষ শাহাদৎ আলম ঝুনু নানামুখি উদ্যোগ নেন। এমনকি তিনি তাদের বাবা-মাসহ অভিভাবকদের সঙ্গেও কথা বলেন। এভাবেই দিন দিন ছেলেদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় নি। শুধু ফুটবল নয় ক্রিকেট এবং হকিতেও এগিয়ে যেতে থাকে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দল।
ফুটবলের মত ক্রিকেটেও জেলা, বিভাগ এবং জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য এসেছে। ২০১৭ থেকে টানা তিনবার বগুড়া জেলায় স্বাধীনতা কাপ টি-২০ ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দল। এছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিবি) আয়োজনে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে ২০১৮ সালে ৫৯৪টি স্কুলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন এবং পরের বছর ২০১৯ সালে রানার আপ হয় স্কুলটি। জাতীয় ক্রিকেট দলের দুই সদস্য তৌহিদ হাসান ও শফিউল ইসলাম এই স্কুলেরই শিক্ষার্থী ছিলেন। সাফল্য এসেছে হকিতেও। ২০১৪ ও ২০১৬ সালে বিভাগীয় পর্যায়ে রানার আপ হয়েছে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দল।
ধারাবাহিক এমন সাফল্যের কারণে শিক্ষার্থীরা এখন সব খেলায় অংশ নেওয়ার জন্য নাম লেখাতে উদগ্রীব থাকে। আব্দুল বাছেদ বলেন, ‘এখন ফুটবল, ক্রিকেট কিংবা হকির টিম গঠনের জন্য খেলোয়াড় পেতে সমস্যা হয় না। কারণ অনেকেই খেলতে আসে বলে আমরা তাদের মধ্য থেকে বাছাই করার সুযোগ পাই।’ ভবিষ্যত লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটের মত ফুটবলেও জাতীয় দলে আমি আমার ছেলেদের খেলাতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।’
খেলাধুলায় মেতে থাকলে পড়ালেখার ক্ষতি হবে- এমন ভাবনা যে সত্য নয় তার প্রমাণ দিয়েছে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ। পাবলিক পরীক্ষায় ২০১৩ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে সেরা ২০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান করে নেওয়া ওই প্রতিষ্ঠান জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসিতে শতভাগ পাশের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে। সর্বশেষ ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বগুড়া জেলায় ৪র্থ স্থান দখল করে। এসবের পাশাপাশি পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ প্রতি বছরই মেডিকেল ও বুয়েটসহ দেশ সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যাললগুলোতে ভর্তি হচ্ছে। এবারও ৪জন মেডিকেলে এবং আরও দু’জন বুয়েটে চান্স পেয়েছে। এসবের পাশাপাশি জেলা এবং জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায়ও সফলতা অর্জন করেছে ওই স্কুলটি। দু’বছর আগে ২০১৭ সালে সরকারিভাবে আয়োজিত জাতীয় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ। এছাড়া ২০১৮ সালে জাতীয় জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয় হয় এবং সর্বশেষ চলতি বছর বিএফএফ-সমকাল আয়োজিত স্কুল পর্যায়ে বিজ্ঞান বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রানার আপ হয় পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ দল।
বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার (ডিএসএ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, পড়ালেখা থেকে খেলাধুলা- সব ক্ষেত্রে যে ধারবাহিকতা দেখিয়ে চলেছে তাতে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজকে ‘বগুড়ার বিকেএসপি’ (বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) বলা যেতে পারে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বগুড়ার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যাদের ভাল ফলাফলের ধারাবাহিকতা আছে কিন্তু খেলাধুলায় খুঁজে পাওয়া যায় না। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালে ডানা নেশনস্ কাপে (অনুর্ধ্ব-১২) খেলতে বগুড়ার একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে খেলোয়াড় বাছাই করে আমি মোট ১৩জনের একটি দলকে নিয়ে ফ্রান্সে গিয়েছিলাম। ওই দলে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজের ৪ শিক্ষার্থী ছিল। ফিরে আসার পর ভেবেছিলাম সব স্কুল কর্তৃপক্ষই হয়তো তাদের প্রতিষ্ঠানে ফুটবল খেলা চালু রাখবে। কিন্তু সেটা আর হয়নি। কেবল পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজই তা ধরে রেখেছে। যে কারণে তারা সাফল্যও পাচ্ছে। শুধু ফুটবলেই নয় ক্রিকেট এবং হকিতেও তারা ভাল করছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলে একদিন বিকেএসপির মত এখান থেকে বড় বড় খেলোয়াড় বের হবে।’
বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ সম্পর্কে একই ধারণা পোষণ করেন বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মিলনও। তিনি বলেন, ‘আমরা খেলাধুলার মধ্যে স্কুল ক্রিকেট নিয়েই বেশি কাজ করি। তাতে দেখেছি পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ টিম বরাবরই এগিয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় যেভাবে এগুচ্ছে তাতে এটিকে বিকেএসপির সঙ্গে তুলনা করলে একেবারে ভুল হবে না।’
তবে নিজের প্রতিষ্ঠানকে বিকেএসপির সঙ্গে তুলনায় আপত্তি বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ শাহাদৎ আলম ঝুনুর। ১৯৯২-৯৩ সালে জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম সদস্য ঝুনু বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ডিএসএ বা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ যা বলেছেন তা হয়তো তাদের ভালবাসা থেকে বলেছেন। তবে হ্যাঁ, আমরা পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় মনোযোগী করে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি। কারণ আমরা মনে করি শিক্ষার্থীদের শুধু পড়ালেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য তাদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভালোর তো কোন শেষ নেই। তবে আমাদের একটা লক্ষ্য আছে। আমরা এই প্রতিষ্ঠানটিকে ২০২১ সালের মধ্যে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করতে চাই।’

 

মন্তব্য