| প্রচ্ছদ

সৌম্যের আশীর্বাদের ছবি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঝড়

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৬৪ বার। প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ।

আগামী বুধবার প্রিয়ন্তি দেবনাথ পূজার সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হবেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সৌম্য সরকার।

তার আগে পারিবারিক আয়োজনে গোপনে আশীর্বাদ অনুষ্ঠান সেরেছেন তিনি।

সেই অনুষ্ঠানের ছবিগুলো ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এরপরই সেসব ছবি নিয়ে বির্তক ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে দেখা গেছে, হরিণের চামড়ার তৈরি আসনের ওপর বসে আশীর্বাদ অনুষ্ঠান হয়েছে সৌম্য সরকারের।

আরো দুটি ছবিতে দেখা গেছে ওই চামড়ার ওপর সপরিবারে দাঁড়িয়ে সৌম্য সরকার।

কেউ কেউ এটাকে ধর্মীয় রীতি বলে মন্তব্য করলেও অনেকে বলেছেন সনাতন ধর্মে এমন কোনো লৌকিকতা নেই। বিষয়টি সৌম্যের পারিবারিক ব্যাপার।

অনেকেই বলছেন, এমন রীতি থাকলেও তা পালন করা উচিত নয়। বিষয়টি তাদের কাছে ভালো ঠেকেনি।

জানা গেছে, সোমবার খুলনায় কনের বাড়িতে হয়েছে আশীর্বাদ অনুষ্ঠান। এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরা শহরের মধ্য কাটিয়া এলাকায় সৌম্য সরকারের বাড়িতে সম্পন্ন হয় ছেলের বাড়ির আশীর্বাদ।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান এক গণমাধ্যমে বলেন, জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা আমাদের দেশের সম্পদ। দেশের আইন তাদেরও মেনে চলা উচিত।

তবে ছবি দেখেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা ঠিক নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ওই চামড়া হরিনের হয়ে থাকলে বিষয়টি সুন্দর হয়নি। তবে শুনেছি ঘটনাটি সৌমের হবুবধূর বাড়িতে। তাদের বন্যপ্রাণীর চামড়া রাখার কোনো লাইসেন্স আছে কিনা তা জানতে হবে।

এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিটের পরিচালক আকন বলেন, কেউই বন্যপ্রাণীর চামড়া ব্যবহার করে বিয়ে বা কোনো অনুষ্ঠান করতে পারেন না। তাছাড়া হরিণের চামড়া রাখাও অপরাধ। আমরা এ ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছি।

উল্লেখ্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী, লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ব্যক্তির কাছে বন্যপ্রাণী, বন্যপ্রাণীর অংশ পাওয়া গেলে অথবা বন্যপ্রাণী থেকে উৎপন্ন দ্রব্য বিক্রয়, আমদানি-রফতানি করলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ এক বছরের সাজা অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটলে তিন বছরের সাজা অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা।

মন্তব্য