| প্রচ্ছদ

করোনা আতঙ্কে ফুটবল লিগ স্থগিত দক্ষিণ কোরিয়ায়

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১৯ বার। প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ।

চীনের প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায়ও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে মরণঘাতী করোনাভাইরাস। এর প্রভাব পড়ল দেশটির ঘরোয়া ফুটবলেও।

করোনার আতঙ্গে ২০২০ সালের ঘরোয়া ফুটবল মৌসুমের শুরুটা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। সিউলে সোমবার জরুরি বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় কে লিগ কর্তৃপক্ষ।

এ ভাইরাসে এরই মধ্যে সারা বিশ্ব জুড়ে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ। সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৩৩ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন সাতজন। আর চীনে আক্রান্ত ৭৭ হাজার ১৫০ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৫৯২ জন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্তের বেশিরভাগই দক্ষিণ-পূর্ব শহর দায়েগুর। মরণঘাতী ভাইরাসটি দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এমন অবস্থায় গত শুক্রবার দায়েগু এফসি ও পাশ্ববর্তী পোহাং স্টিলারস মধ্যকার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচটি স্থগিত করা হয়। জানানো হয়, আগামী শনিবার ম্যাচটির অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এবার পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত লিগের সবগুলো ম্যাচই স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গাংওন এফসি’র কোচ কিম বুউং বলেন, “এই মৌসুমের জন্য আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু ভাইরাসের ব্যাপারটিও হালকাভাবে নেওয়া যাবে না।”

“আমরা চিন্তিত। কিন্তু এটা সারা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এটা মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি হওয়ার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”

তবে কর্তপক্ষ জানিয়েছে, এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচগুলো দক্ষিণ কোরিয়ান ক্লাবগুলো সূচি অনুযায়ী মার্চে আয়োজন করবে। কিন্তু খেলাগুলো হবে দর্শকশূন্য মাঠে।

যদিও করোনা ভাইরাসের কারণে মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্টে এরই মধ্যে বাধা পড়েছে। চীনের চারটি ক্লাবের মধ্যে সূচি অনুযায়ী খেলা হয়নি। ম্যাচগুলো এপ্রিল ও মে মাসের শুরু পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে চাইনিজ সুপার লিগের শুরু। গত সপ্তাহে এই লিগ শুরু হওয়ার কথা ছিল। আর চাইনিজ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গত সপ্তাহে এক ঘোষণায় জানিয়েছে, গুয়াম ও মালদ্বীপের বিপক্ষে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার ম্যাচগুলো মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে, থাইল্যান্ডে।

মন্তব্য