| প্রচ্ছদ

সালমানকে ভাইয়ের চোখে দেখতাম: শাবনূর

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৭৫ বার। প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ।

নায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন- পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এমন বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শাবনূর। গতকাল সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইপ্রধান বনজ কুমার মজুমদার বলেছেন, 'পিবিআইর তদন্তে সালমান শাহকে হত্যার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পারিবারিক কলহ ও মানসিক যন্ত্রণায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন।' এর পেছনে পাঁচটি কারণও উল্লেখ করেছেন তিনি। এর প্রথমটি সালমান শাহ ও চিত্রনায়িকা শাবনূরের অতিরিক্ত অন্তরঙ্গতা।

শাবনূর বর্তমানে সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অবস্থান করছেন। পিবিআইর সংবাদ সম্মেলন ও বক্তব্য নিয়ে শাবনূরের সঙ্গে কথা হয় সমকালের। গতকাল বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় হোয়াটসঅ্যাপে  শাবনূর বলেন, 'সালমান শাহ আর আমাকে নিয়ে পিবিআই সংবাদ সম্মেলনে অনেক ধরনের কথা বলেছে, যার কোনোটিই সত্য নয়। আমার নামটা জড়ানোর আগে সবারই একবার ভাবা উচিত ছিল। তারা আমাকে আর সালমানকে নিয়ে মুখোরচক গল্প বলেছে। সালমান ও আমাকে জড়িয়ে এ ধরনের কথার ঘোর বিরোধিতা করছি আমি। সালমানকে আমি ভাই ছাড়া অন্য কোনো চোখে দেখতাম না।'

ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আরও বলেন, 'সালমানকে আমি প্রথম দেখেছি এফডিসিতে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' ছবির সেটে। মৌসুমী আপুর সঙ্গে কাজ করছে সে। তখন শুনেছি, আমাদের চলচ্চিত্রে নতুন হিরো সালমান। তখন এফডিসিতে কাজের সুবাদে প্রায়ই দেখা হতো। কিন্তু খুব একটা কথা হতো না। সবাই নিজেদের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতাম। সালমানের সঙ্গে আমার আনুষ্ঠানিক পরিচয় 'তুমি আমার' সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে। এটিই আমার আর সালমান জুটির প্রথম সিনেমা। সেই সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে জানলাম, সালমানের কোনো বোন নেই। যেহেতু তার কোনো বোন ছিল না, তাই সে আমাকে তার ছোট বোন হিসেবেই দেখত। আমিও সালমানকে ভাই হিসেবেই দেখতাম। যেহেতু অনেক কম বয়সে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করি, তাই সালমান আমাকে পিচ্চি বলে ডাকত। সালমানের মা-বাবাও আমাকে খুব আদর করতেন। সালমানের কারণে তারাও আমাকে তাদের মেয়ে হিসেবেই দেখতেন।'

শাবনূর বলেন, 'সালমানের স্ত্রী সামিরার সঙ্গেও আমার বন্ধুত্ব ছিল। সালমান চলে যাওয়ার পর আমাকে আর সামিরাকে নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছে। কিন্তু সামিরা সত্যিকার অর্থেই আমার ভালো বন্ধু ছিল। আমরা একসঙ্গে কত অসাধারণ সময় কাটিয়েছি, তার কোনো হিসাব নেই। এমনও হয়েছে, শুটিংয়ের সময় সামিরা আমাকে কোন পোশাকে মানাবে তা বলে দিত। পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং করে চুড়ি, কানের দুল, গলার মালা কী হবে তাও বলত। আমাদের কোনোদিন মনোমালিন্য হয়নি। আর ব্যক্তি সালমান অনেক বড় মনের মানুষ ছিল। সবাইকে সম্মান করত। কোনো অহংকার তার মধ্যে ছিল না। কাজ পাগল একটা ছেলে

মন্তব্য