| প্রচ্ছদ

করোনাভাইরাসকে ‘সংক্রামক রোগ’ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪১ বার। প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২০ ।

করোনাভাইরাসকে ‘সংক্রামক রোগ’ হিসেবে ঘোষণা করে আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কিনা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশের মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ ছাড়া কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে- বৃহস্পতিবারের মধ্যে তা জানাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দস কাজল ও ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশিষ ভট্টচার্য্য।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব যুগান্তরকে বলেন, ২০১৮ সালের সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনে করোনাভাইরাসকে ‘সংক্রামক রোগ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। এ রোগ নিয়ে গত তিন মাস ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি হওয়ার পরও সরকার এখনও তা আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে গেজেট প্রকাশ করেনি। এ কারণে সরকারকে সম্ভব হলে আজ (বুধবার) রাতের মধ্যে করোনাভাইরাসকে সংক্রামক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করে গেজেট প্রকাশের পাশাপাশি এই রোগ প্রতিরোধে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে কোর্টকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। আদালত চূড়ান্ত আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন।

তবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশিষ ভট্টচার্য্য বলেছেন, করোনাভাইরাসকে সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশসহ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে- তা জানতে চেয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবারের মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশ হতে পারে। তবে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনার বিষয়ে তিনি জানেন না বলে জানান।

এর আগে বুধবার সকালে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আগতদের তথা বিদেশ ফেরতদের সংশ্লিষ্ট বন্দর থেকেই বাধ্যতামূলকভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন কোয়ারেন্টাইনে রাখতে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। একই সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত অবকাশকালীন ছুটি আরও বাড়ানোর আর্জি জানানো হয় রিটে।

আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বিমান ও পর্যটন সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ সংশ্লিষ্টদের এতে বিবদি করা হয়।

ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন। রিটের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী নিজেই। এর আগে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান এই আইনজীবী। নোটিশে সাড়া না দেয়ায় রিট করেন তিনি।

মন্তব্য