| প্রচ্ছদ

ভোট দিয়ে হাত ধুচ্ছেন গাইবান্ধার ভোটাররা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৪ বার। প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২০ ।

করোনাভাইরাস ভীতির মধ্যে গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে শনিবার সকাল ৯টা থেকে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সকালের দিকে উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভোটারের সংখ্যাও। খবর দেশ রুপান্তর অনলাইন। 

কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটাররা লাইন ধরে ভোট দিচ্ছেন। প্রচণ্ড রোদের মধ্যেও দাঁড়িয়ে আছেন লাইনে। ভোট দেয়ার পর বাইরে এসে তারা হাত ধুয়ে নিচ্ছেন।

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ডা. মো. ইউনুস আলী সরকার ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়। পরে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি এই আসনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পলাশবাড়ী পৌরসভাসহ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও সাদুল্লাপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-৩ আসন।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বিএনপির প্রার্থী মো. মইনুল হাসান সাদিক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মইনুল রাব্বী রোমান ও জাসদের প্রার্থী এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি। নির্বাচনে এই দুই উপজেলার ১৩২টি ভোটকেন্দ্রের ৭৮৬ টি বুথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন চার লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন। এর মধ্যে সাদুল্লাপুরে রয়েছে ৬৮টি ও পলাশবাড়ী উপজেলায় রয়েছে ৬৪ টি ভোটকেন্দ্র।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১০ দিন আগে ২০ ডিসেম্বর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান জাতীয় পার্টির প্রার্থী ড. মো. ফজলে রাব্বী চৌধুরী।

ফলে গাইবান্ধার ৫টি আসনের মধ্যে শুধু ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে গাইবান্ধা-৩ আসনের। পরে এই আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় গত বছরের ২৭ জানুয়ারি। এই নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন ডা. মো. ইউনুস আলী সরকার।

নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছে  ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

মন্তব্য