| প্রচ্ছদ

বন্দি জীবনের অবসান হচ্ছে খালেদা জিয়ার

পুন্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩১ বার। প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২০ ।

দুই বছরের বেশি সময় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি জানান, বয়স বিবেচনায় সদয় হয়ে সরকার খালেদা জিয়ার মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৬ ধারায় তার সাজা ছয় মাস স্থগিত করা হয়েছে।

‘তবে খালেদা জিয়া বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং বিদেশ যেতে পারবেন না, এমন শর্তে তাকে মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।’

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সম্প্রতি খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। সোমবার খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

তিনি বলেন, কারাবন্দি এবং বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবন আজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে শত শত ডাক্তার এবং নার্স যেখানে প্রতিনিয়ত সুরক্ষা সরঞ্জামাদি ছাড়া কাজ করছেন এবং হাজার হাজার রোগীর চিকিৎসা করছেন। তারা আবার খালেদা জিয়ারও চিকিৎসা করছেন। সুতরাং যেকোনো সময় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। মারাত্মক ঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন দেশে কারাবন্দিদের মুক্তি দেয়া হচ্ছে। এ অবস্থয় খালেদা জিয়ার জীবন রক্ষার্থে শিগগির তার মুক্তি দাবি করছি।

মাহবুব উদ্দিন খোকনের এমন বক্তব্যের ঠিক একদিন পরেই সরকারের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা জানানো হলো।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের সাজা নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

সেখানে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে গত বছরের ১ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর যুগান্তর অনলাইন

মন্তব্য