| প্রচ্ছদ

করোনা: আত্মহত্যার শঙ্কা লাখ লাখ মার্কিনির!

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৪১ বার। প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২০ ।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস প্রায় সব দেশেই হানা দিয়েছে। চীনে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর এখন ইউরোপে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ইতালি ও স্পেনে ক্ষণে ক্ষণে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। যুক্তরাষ্ট্রেও মারা গেছেন প্রায় ১৫০ জন। যুক্তরাষ্ট্র ভাইরাসটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।

তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটিতে লকডাউন চলছে। কিন্তু ১৫ দিনের লকডাউন শেষ হচ্ছে কয়েক দিন পরেই। এর মধ্যে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। উল্টো বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। তাই যুক্তরাষ্ট্র লটডাউন বাড়াবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন দেশটির কর্তাব্যক্তিরা।

লকডাউনের ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে অর্থনীতি ধসে পড়বে। তাই লকডাউন আর বাড়াতে চান না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রাম্পের সঙ্কা, করোনার কারণে লকডাউন বাড়ালে অর্থনীতি যেভাবে ক্ষতির মুখে পড়বে তাতে মানুষ আত্মহত্যা করতে পারে। আর এ আত্মহতার সংখ্যা হবে করোনায় মৃত্যুর চেয়ে অনেক বেশি।

কিন্তু তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ।  ট্রাম্প ও রিপাবলিকান নেতাদের লকডাউন তুলে নেয়ার তৎপরতায় প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার জন হপকিন্স সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির পরিচালক টম ইংলেসবি এক টুইটার বার্তায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এখনই লকডাউন তুলে নিলে যুক্তরাষ্ট্রে আরও দ্রুত ও ভয়ানকভাবে ছড়িয়ে পড়বে করোনা। এতে লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পও হোয়াইট হাউসের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বলেন, লকডাউন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জন্ম হয়নি। শিগগিরই ফের আমেরিকা ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের জন্য নেয়া প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে আত্মহত্যা বাড়তে পারে। মৃত্যুর এ সংখ্যা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া লোকদের চেয়েও বেশি হতে পারে।

মন্তব্য