| প্রচ্ছদ

ইতালিতে বাংলাদেশি শশীর কৃতিত্ব

পুন্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৫০ বার। প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২০ ২৩:১১:১২ ।

ইতালিতে বাংলাদেশের সুনাম বয়ে এনেছেন তাহমিনা ইয়াসমিন শশী। ইতালির তরিনো শহরে fiera di salone del libro internazionale অর্থাৎ international book fair festival শুরু হয়েছিল ১৯৮৮ সাল থেকে যা আজ অবধি চলমান।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দানিএল ফিনক্কির পরিচালনায় বিভিন্ন দেশের লেখক/কলামিসট প্রবন্ধ নিয়ে আয়োজিত হয়ে আসছে এক জ্ঞানগর্ভমূলক অনুষ্ঠান যার নাম নির্ধারণ করা হয়েছে (লিঙ্গুয়া মাদরে) Lingua Madre নামে।

যাত্রালগ্ন থেকে অদ্যাবধি ১ম বাংলাদেশি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাহমিনা ইয়াসমিন শশী ২০১৭ সালে। প্রতিভা ও মেধার স্বাক্ষর রেখে তিনি জায়গা করে নিয়েছিলেন সেরা ১০-এ। এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের প্রায় ৫ হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। তার প্রবন্ধটিকে বই আকারে প্রকাশ করে Lingua Madre seb-১৭।

২০১৮ সালেও এর ব্যতিক্রম হয়নি এ মেধাবী ২০১৮ সালেও জায়গা করে নেন তার মেধার বিকাশ ঘটিয়ে সেরা দশে। তার লেখা প্রবন্ধটি বই আকারে প্রকাশ করা হয় Lingua Madre SEB- ১৮ থেকে।

২০১৯ সালে যথারীতি যাত্রাবিরতি।'

২০২০ সালে তার মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে পুনরুদ্ধার করল তার হারানো গৌরব। এটা তার জন্য কোনো সহজলভ্য কাজ ছিল না। একজন বাংলাদেশি হয়েও ইতালীয় ভাষায় গল্প রচনা করে পুরস্কার জেতা নিঃসেন্দহে কঠিনতর বিষয়। ২০২০ সালে চুলচেরা বিশ্লষণের মাধ্যমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে লিখার গুণগত মান বিবেচনা করে শশীর প্রবন্ধ স্থান করে ৩য় স্থানে।

ইতালির ভেনিসে বসবাসরত তাহমিনা ইয়াসমিন শশীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাত্তিকপুর গ্রামে। শশী ১০ বছর যাবৎ ইতালিতে বসবাস করছে। সে ২০১৮ সালে ইতালির মিলান শহরের ক্যাথলিক করেদেল সাক্রো বিশ্ববিদ্যালয় হতে কাফুসকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে অধ্যায়নরত।

ইতালির মাটিতে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের পতাকাকে উজ্জল করা তাহমিনা ইয়াসমিন শশী জানান-বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার জন্য তিনি লেখনীর মাধ্যমে আজীবন চেষ্টা করে যাবেন। তিনি তার এ বিজয়কে তার গর্ভধারিনী মাকে উৎসর্গ করেন। খবর যুগান্তর অনলাইন 

মন্তব্য