| প্রচ্ছদ

নওগাঁয় নকল সার কারখানার সন্ধানঃপ্রতারক চক্র পলাতক

নওগাঁ প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ১৩৫ বার। প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারী ২০১৯ । আপডেট: ২৯ জানুয়ারী ২০১৯ ।

নওগাঁয় শহরের বিসিক শিল্প নগরী এলাকা সংলগ্ন শালুকা গ্রামে নকল একটি সার কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে । মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল হাই এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম মফিদুল ইসলাম সমন্বয়ে একটি ভাম্যমান আদালত শালুকা গ্রামের জনৈক জিল্লুর রহমানের বাড়িতে স্থাপিত ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান নকল সার ও সার তৈরীর বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত ওই গুদাম সীলগালা করেছে। এদিকে ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রতারক চক্র পালিয়ে গেছে। 


নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি মোঃ আব্দুল হাই জানান যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের বদর উদ্দিনের ছেলে এমদাদুল হক প্রায় একমাস আগে জিল্লুর রহমানের বাড়ির গোডাউনটি ভাড়া নেয়। এ ব্যপারে একটি লিখিত চুক্তিপত্রও সম্পাদনাও করেন। এক মাস আগে ভাড়া নিলেও সপ্তাহখানেক আগে থেকে ওই গো-ডাউনে এমদাদুল হক ও তার লোকজন নকল সার তৈরীর প্রক্রিয়া শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৪শ বস্তা মাটি, ডাষ্ট করা প্রায় ২৫ মন মাটি, দস্তার রঙে ক্ষুদ্রাকৃতির গোলাকার প্রায় ৩০ মন মাটি, মিক্সার মেশিন, বিভিন্ন আকার ও রং দেয়ার কেমিক্যাল এবং বিভিন্ন কোম্পানীর লেভেল জব্দ করা হয়েছে। প্রতারক চক্র প্রিয়া এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ নামের কোম্পানীর ব্র্যান্ডে “নিউ এগ্রো পাওয়ার” নাম দিয়ে এই নকল সারগুলো বাজারজাত করার চেষ্টা করছিল। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে প্রতারক চক্র পালিয়ে গেছে। তবে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি। 


সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একে এম মফিদুল ইসলাম বলেন ওই গো-ডাউনে কেবলমাত্র মাটিকে বিশেষভাবে বিভিন্ন আকার ও রং দিয়ে নানা রকমের সারের আকার দিয়ে বাজারজাত করার চেষ্টা করার প্রমান পাওয়া গেছে। ওই গোডাউনের মালিক জিল্লুর রহমান বলেন আমি জানতাম না তারা কিভাবে নকল সার তৈরী করছে। তবে যে সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে তা নকল বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।


সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল হাই জানান প্রতারক এমদাদুল হক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। 
 

মন্তব্য