| প্রচ্ছদ

র‌্যাগিং: বহিস্কৃত সেই ৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৯২ বার। প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ । আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ।

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে র‌্যাগিং করার অপরাধে আজীবন বহিষ্কৃত ৬ ছাত্রের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও কৃষি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নাজমুল হক বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মো. নূরুল হকের ছেলে মো. শিপন আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার দেয়াবৈ গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনে ছেলে শাহীন মিয়া, টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার বারাপুষা গ্রামের মো. আব্দুল হালিমের ছেলে নাদিম ইসলাম, শেরপুরের নকলা গ্রামের তপন কুমার ধরের ছেলে হৃদয় কুমার ধর, ভোলার কালিনাথ রায়ের বাজারের শুধাংশু ভূষণ হাওলাদারের ছেলে তূর্জয় হাওলাদার ও ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার পূর্ব গাড়াখোলা গ্রামের মো. আসাদুজ্জামান খানের ছেলে আশিকুজ্জামান লিমন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২ জানুয়ারি রাতে বশেমুরবিপ্রবি’র কৃষি বিভাগের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র মো. রাজেশ হোসাইন শিথিল ও মাহামুদুল হাসানকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে গোবরা এলাকার সোবাহান সড়কের অলি সাহেবের মেসের ভেতরে নিয়ে অভিযুক্ত ৬ শিক্ষার্থী র‌্যাগ দিয়ে তাদের নির্যাতনের ভিডিও চিত্র ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে এ ভিডিও চিত্র ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আশিকুজ্জামান ভূঁইয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফেসবুকে র‌্যাগিং এর বিষয়টি ভাইরাল হলে সোমবার প্রক্টরিয়ালবডি জরুরি বৈঠকে বসে। এ বৈঠকে স্বাক্ষ্য, প্রমাণ ও তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ওই ৬ শিক্ষার্থীকে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন বহিস্কার করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বহিষ্কৃত ওই ৬ ছাত্রের অভিভাবকদের নামে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে বহিষ্কারাদেশ পাঠানো হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ৬ শিক্ষার্থীর নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে থানায় মামলা রেকর্ড হয়েছে। এখন আমরা আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

খবর সমকাল অনলাইন

মন্তব্য