| প্রচ্ছদ

নওগাঁর রাণীনগরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে ফাটল; ঝুকিঁ নিয়ে বসবাস

রানীনগর(নওগাঁ) প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে বার। প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৪:৫৬:৩০ ।

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বেলঘড়িয়া পুকুর পাড়ে সরকারের আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মিত ঘরের ইটের দেয়ালে ফাটল ধরেছে। যে কোন সময় ইটের দেয়াল ধ্বসে প্রাণহানী ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এদিকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বাধ্য হয়ে আশ্রিত পরিবার গুলো ফাটল ধরা ঘরেই বসবাস করতে হচ্ছে।  

জানাগেছে,গত ২০১৭ইং সালে গৃহহীনদের জন্য সরকারের আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় রাণীনগর উপজেলার কাচারী বেলঘড়িয়া গ্রামে পুকুর পারে ২ কক্ষ বিশিষ্ট ইটের পাকা ২০ টি ঘর নির্মান করা হয়। ওই সময় সেনাবাহিনীর অনুকুলে ঘর নির্মান কাজ শেষ করা হয়। ওই সালের মে মাসে ঘর নির্মান শেষে সুবিধা ভোগীদের মাঝে ঘর হস্তান্তর করা হয়। ঘর নির্মানের মাত্র আড়াই বছরের মাথায় সুবিধা ভোগী সাবের আলীসহ কয়েকটি ঘরের ইটের দেয়াল ফেটে যায়।বর্তমানে দেয়ালের ইট খুলে পরার উপক্রম হয়েছে। যে কোন সময় দেয়াল ধ্বসে প্রাণহানীর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী। পরিবাররের লোকজন বলছেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে তারা এসে পরিদর্শন করে ছবিও তুলে নিয়ে গেছেন। কিন্তু এর পরেও কোন সংস্কার হচ্ছেনা। সাবেরের স্ত্রী জুলেখা বিবি বলেন,আমরা গরীব মানুষ। আমার সংসারে ২ মেয়ে ও ১ ছেলেসহ ৫সদস্য রয়েছে। পানের চুন তৈরি করে হাটে-বাজারে বিক্রি করে কোনভাবে ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের সদস্যদের ভরণ পোষন করতে হয়। ব্যবসা করে যে পরিমান আয় রোজগার হয় তা দিয়ে কোন রকম সংসার চলে। পাকা ঘর মেরামত করতে গেলে যে পরিমানে টাকার প্রয়োজন তা আমাদের নেই। বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই আতংক আর অশংকার মধ্যে নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ঠদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। 

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আল মামুন বলেন,খবর পেয়ে ঘরগুলো পরিদর্শন করেছি। যেহেতু ঘরগুলো হস্তান্তরের পর আমাদের আর দ্বায়িত্ব থাকেনা। তার পরেও সরকারি কোন বরাদ্ধ পেলে ঘরগুলো সংস্কার করে দেয়া হবে।

 

মন্তব্য