| প্রচ্ছদ

গাপটিলের কাছে সিরিজ হারল বাংলাদেশ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১১৩ বার। প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ । আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ।

ক্রাইস্টচার্চ উদ্যানের শহর। সাজানো গোছানো পার্ক, বেশ কিছু উদ্যান, সারিবদ্ধ গাছের সমারোহে সাজানো শহর। হ্যাগলির ওভাল স্টেডিয়ামেও আছে সবুজের সমারোহ। গ্রীষ্মের শুরুতে সিমসাম ওই পরিবেশই মন ভালো করে দিতে যথেষ্ট। তবে অখুশি কিংবা অসুখী একদল মানুষ সেখানে আছেন। তারা হলেন মাশরাফিবাহিনী। শনিবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে কিউইদের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে তারা। বছর শুরু করেছে সিরিজ হার দিয়ে। তাও এক ম্যাচে হাতে থাকতে। তবে মন খারাপের কারণ দুই ম্যাচেই বাজে হার।   

প্রথম ম্যাচে রয়ে-সয়ে দারুণ এক সেঞ্চুরি করেন নিউজিল্যান্ড ওপেনার মার্টিন গাপটিল। ইনজুরি থেকে ফিরে দলকে ৮ উইকেটে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ছড়ি চালিয়ে সেঞ্চুরি এসেছে তার ব্যাট থেকে। শুরু থেকেই তিনি ছড়ি ঘোরাতে থাকেন মাশরাফি-সাইফদের ওপর। প্রথমে হেনরি নিকোলাসকে মুস্তাফিজ ফেরান এ ম্যাচে। তাতেও ব্যাট চালানোর গতিতে ছেদ পড়েনি গাপটিলের। 

নিউজিল্যান্ডের ৪৫ রানের মাথায় নিকোলাসকে ক্যাচে পরিণত করেন মুস্তাফিজ। পরে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন এসেও ধীরে শুরু করেন। তিনি ফিফটি করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। তবে গাপটিলের ব্যাট থেকে ৮৮ বলে ১১৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস দেখা গেছে। চারটি ছক্কা ও ১৪টি চারে ওই ইনিংস গড়েন তিনি। এরপর ফেরেন মুস্তাফিজের বলে। দারুণ এই ইনিংস খেলার পথে এই ওপেনার ৩৩ বলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন। 

বাংলাদেশ এ ম্যাচেও শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে। দলের রান একশ’ হবার আগে পাঁচ উইকেট হারায় এ ম্যাচেও। তবে মিঠুনের ফিফটি আর সাব্বিরের ছোট এক ইনিংসে মান বাঁচে দলের। রান সংগ্রহ করে ২২৬। গতির ঝড় দেখিয়ে ফারগুসন এ ম্যাচে তিন উইকেট নেন। বাংলাদেশকে হয়তো একটা বার্তা দেন রুবেলকে বসিয়ে রাখা খুব ভালো কৌশল নয়।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ রান আসে মিঠুনের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ রান সাব্বিরের। আর সৌম্য করেন ২২ রান। মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮৩ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড। ভারতের বিপক্ষে সিরিজ হারের পর বাংলাদেশকে হারালো তারা। এছাড়া পরপর দুই ম্যাচে গাপটিল পেয়েছেন সেঞ্চুরি। কিন্তু আগের ছয় ম্যাচে কোন ফিফটি পাননি তিনি।  

মন্তব্য