| প্রচ্ছদ

পলান সরকারের জানাজা শেষে দাফন

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৭৭ বার। প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০১৯ । আপডেট: ০২ মার্চ ২০১৯ ।

একুশে পদকপ্রাপ্ত পলান সরকারের জানাজা নামাজ শেষে দাফনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শনিববার সকাল ১০টায় ১৮ মিনিটে স্থানীয় বাউসা হারুন-অর-রশিদ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা নামাজ শেষ হয়।

পরে পারিবারিক গোরস্থানে দাফনের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়েছে।

জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপির বাবা সমাজ সেবক শামসুদ্দিন, রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লা (পিপিএম), বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট লায়েব উদ্দীন লাভলু, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিউর রহমান শফি, বাউসা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, আড়ানী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

জানাজা নামাজের আগে পলান সরকারকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পলান সরকার বাঘার গর্ব জানিয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের বাউসা হারুন-অর-রশিদ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিদ্যালয়টিকে সরকারি করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এছাড়াও পলান সরকার স্মৃতি পাঠাগার স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক শামসুদ্দিন।

১ মার্চ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারনে মারা যান পলান সরকার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর।

নিজের টাকায় বই কিনে পাঠকের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতেন পলান সরকার।

বইপড়ার এমন আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য তাকে ২০১১ সালে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

দেশের জাতীয় দৈনিকগুলোতে তাকে নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়। তাকে নিয়ে ‘সায়াহ্নে সূর্যোদয়’ নামে একটি নাটক তৈরি হয়েছে।

পলান সরকারের আসল নাম হারেজ উদ্দিন। তবে দেশব্যাপী তিনি পলান নামেই পরিচিতি পেয়েছেন।

মন্তব্য