| প্রচ্ছদ

আদালতে ঘাতকের স্বীকারোক্তি

আত্রাইয়ে ধর্ষনের বাধাঁ দেয়ায় গার্মেন্টস কর্মী জুলেখা হত্যা করা হয়

নওগাঁ প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ১০০ বার। প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০১৯ । আপডেট: ১০ মার্চ ২০১৯ ।

নওগাঁর আত্রাইয়ে আলোচিত গার্মেন্টস কর্মী জুলেখা খাতুন(৩০) হত্যার রহস্য অবশেষে উন্মোচিত হয়েছে। ধর্ষনের বাধাঁ দেয়ায় তাকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর আদালতে ঘাতক বেলাল হোসেন(৩৮) এই হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছে। ঘাতক বেলাল নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকবালু গ্রামের জনাব আলী মন্ডলের ছেলে। 
 

মামলার তদন্তকারী অফিসার ও আত্রাই থানার ওসি(তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘাতক বেলাল হোসেনের সাথে গত ২০১৭ সালের ২২ জুলাই নওগাঁ সদর থানার গোপাই গ্রামের মানিক প্রামানিকের মেয়ে জুলেখা খাতুন (৩০) বিয়ে হয়। সংসার জীবনের কয়েক কছর অতিবাহিত হওয়ার পর তাদের ডিভোর্স হয়। কিন্তু তারপরেও মোবাইলে সম্পর্ক বজায় রাখে বেলাল হোসেন। তারই ধারাবাহিকতায় সে গত ২০ ডিসেম্বর মোবাইলে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ঢাকা গার্মেন্টস থেকে জুলেখা খাতুনকে নিয়ে আসে। জুলেখা নওগাঁ পৌছালে তাকে নিয়ে রাত ১০টার দিকে আত্রাই উপজেলার বড়কালিকাপুর তিন নাম্বার সুইচ গেটে নিয়ে এসে তার সাথে দৈহিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করে। এতে জুলেখা আবারও বিয়ে না করে দৈহিক মেলামেশায় বাঁধা সৃষ্টি করে। বাঁধা সৃষ্টির এক পর্যায়ে বেলাল হোসেন ধাক্কা দিয়ে জুলেখা খাতুনকে সুইচ গেটের নিচে ডোবাই ফেলে দেয়। পরে তাকে ধারালো চাকু দিয়ে জবাই করে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। 
 

পরের দিন ২১ ডিসেম্বর জুলেখার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় থানায় মামলা দাযেরের পর ও ঘটনাস্থলে উদ্ধারকৃত আলামতের ভিত্তিতে হত্যাকারীকে গ্রেফতারে মাঠে নামে পুলিশ।
 

এ ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মোবাইল নাম্বার টাকিং ও লোকেশনের মাধ্যমে তদন্ত করতে মাঠে নামে। এর এক পর্যায় পুলিম বেলালকে গ্রেফতার করে। তাকে রিমান্ডে নিযে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেলাল জুলেখাকে হত্যার কথা স্বীকার করে পুলিশের কাছে। পরে ১৬৪ ধারায় বেলাল হোসেন আদালতে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

মন্তব্য