| প্রচ্ছদ

শেরপুরে একটি কেন্দ্রে পাঁচ ঘন্টায় ৩০ ভোটঃ চার কক্ষে ভোট পড়েনি একটিও

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ১৯১ বার। প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০১৯ । আপডেট: ১৮ মার্চ ২০১৯ ।

পঞ্চম দফা বগুড়ার শেরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিরুত্তাপ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ৯৮টি কেন্দ্রে এই ভোটগ্রহণ চলে। আইন শৃঙখলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হলেও প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল হতাশাজনক। এমনকি কোন কোন ভোট কেন্দ্রে পাঁচ ঘন্টায় মাত্র ৩০ থেকে ৩৫টি ভোট পড়েছে। উচরং বন্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দুপুর সাড়ে ১২টায় গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রের একটি বুথে মাত্র ৩০টি ভোট পড়েছে। এছাড়া চারটি বুথে একটি ভোটও পড়েনি। কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং কর্মকর্তা তাপস কুমার রায় জানান, এই ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৩হাজার ৩৬টি। এরমধ্যে পুরুষ ১হাজার ৪৯৬টি আর নারী ভোটার রয়েছে ১হাজার ৫৬৭টি। এসব ভোটাদের ৫টি বুথে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে চারটি বুথে একটি ভোটও পড়েনি। তবে একটি বুথে ৩০টি ভোট পড়েছে। তবে দুপুরের পর ভোটাররা কেন্দ্রে আসবেন এবং ভোট দেবেন বলে আশাবাত ব্যক্ত করেন তিনি। নির্বাচনের সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছা. আছিয়া খাতুন জানান, এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একক প্রার্থী হওয়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান মজনু ও ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে শাহজামাল সিরাজী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তাই এই দুই পদে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে না। কেবল ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে নির্বাচন হচ্ছে। তাই ভোটারদের আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, এই নির্বাচনে মোট দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মোছা. খাদিজা খাতুন প্রতীক (কলস) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. ফিরোজা বেগম প্রতীক (ফুটবল)। এছাড়া সুষ্ঠু সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের জন্য আমাদের সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে। ভোটাররা কেন্দ্রে আসলে সবাই ভোট দিতে পারবেন বলে জানান এই কর্মকর্তা জানান। উল্লেখ্য: এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২লাখ ৫৪হাজার ৩৭৯ জন। এরমধ্যে ১লাখ ২৩হাজার ৯১৬জন পুরুষ ও ১লাখ ৩০হাজার ৪৫৩জন মহিলা ভোটার রয়েছেন।

মন্তব্য